দ্য ওয়াল ব্যুরো: সংযুক্ত কিষান মোর্চা (united farmers front) আগামীকাল সোমবার (monday) সারা দেশে ধর্মঘট পালন (nationwide strike) করবে। বিজেপি বিরোধী প্রায় সব দল (anti-bjp parties) ছাড়াও শতাধিক গণসংগঠন (mass organisations) এই ধর্মঘটকে সমর্থন দিয়েছে। আহ্বায়ক সংগঠনগুলির দাবি, ধর্মঘটে অংশ নেবে প্রায় ৪০ কোটি দেশবাসী। নরেন্দ্র মোদী সরকারের বিরুদ্ধে গত এক বছরে এ নিয়ে তৃতীয়বার ধর্মঘট হতে চলেছে। করোনার কারণে বেশিরভাগ রাজ্যেই স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় এখনও বন্ধ। ট্রেন-বাসও পুরোপুরি স্বাভাবিক নয়। তবে অফিসকাছারি, দোকান-বাজার বেশিরভাগই খুলে গিয়েছে। ধর্মঘটের জেরে সেখানে স্বাভাবিক জনজীবন ব্যাহত হতে পারে আগামীকাল। ধর্মঘটে অংশ নিচ্ছে ব্যাঙ্ক এবং বিমার সঙ্গে যুক্ত সংগঠনগুলি। ফলে সেখানে পরিষেবা নিয়ে কাল সমস্যা হতে পারে।
বাংলায় কাল প্রশাসন ধর্মঘট সম্পর্কে কী দৃষ্টিভঙ্গি নেবে? সরকারি ভাবে নবান্নের (nabanna officials) কর্তারা কোনও মন্তব্য করেননি। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পদস্থ আধিকারিক বলেন, রাজ্য প্রশাসন জনজীবন স্বাভাবিক রাখার যাবতীয় চেষ্টা চালাবে। তৃণমূলের এক বর্ষীয়ান নেতা বলেন, আমাদের দল বনধ, ধর্মঘটের বিপক্ষে। সোমবারের ধর্মঘটের ইস্যুগুলির প্রতি আমাদের নৈতিক সমর্থন রয়েছে। দল কোথাও ধর্মঘটীদের সঙ্গে সংঘাতে যাবে না। তবে প্রশাসন প্রশাসনের কাজ করবে।
ধর্মঘটের সপক্ষে সিপিএম নেতা হান্নান মোল্লা বলেন, সোমবার শ্রমিক-কৃষক-ক্ষেতমজুরেরা সব রাস্তায় থাকবেন। সকাল ৬’টা থেকে রেল, রাস্তা অবরোধ শুরু হবে। দিল্লিতে যন্তরমম্তর থেকে শুরু হবে সংসদ অভিমুখে অভিযান। কলকাতায় ট্রেড ইউনিয়নের উদ্যোগে এন্টালি মার্কেট থেকে মল্লিকবাজার পর্যন্ত মিছিল হবে। তিন কৃষি আইন, বিদ্যুৎ সংশোধনী বিল ইত্যাদি বাতিল এবং জিনিসপত্রের দাম কমানোর দাবিতে ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে।