গয়নার লোভে ভাইঝিকে অপহরণ? খোঁজা হচ্ছে কাকাকে
দ্য ওয়াল ব্যুরো, উত্তর ২৪ পরগনা: দেড় লক্ষ টাকার গয়নার লোভে তিনি অপহরণ করেছেন, তাও যাকে তাকে নয়, নিজেরই ভাইঝি কে। এমনই অভিযোগ উঠেছে কাকা কিশোর মন্ডলের বিরুদ্ধে। বসিরহাট মহকুমা অঞ্চলের হাড়োয়া থানার সোনাপুকুর শংকরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্
শেষ আপডেট: 23 August 2020 15:24
দ্য ওয়াল ব্যুরো, উত্তর ২৪ পরগনা: দেড় লক্ষ টাকার গয়নার লোভে তিনি অপহরণ করেছেন, তাও যাকে তাকে নয়, নিজেরই ভাইঝি কে। এমনই অভিযোগ উঠেছে কাকা কিশোর মন্ডলের বিরুদ্ধে। বসিরহাট মহকুমা অঞ্চলের হাড়োয়া থানার সোনাপুকুর শংকরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত কুলগাছি গ্রামের ঘটনা।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, কুলগাছির নবকুমার সরদারের একমাত্র মেয়ে ২৫ বছরের মালতি সরদারের সঙ্গে নিউটাউন চকমাচুরিয়া গ্রামের ভীম মন্ডলের বড় পুত্র বাসুদেব মন্ডলের বিয়ে হয় বছর দশেক আগে। বর্তমানে তাদের একটি পাঁচ বছরের ছেলেও আছে। গত বুধবার অগস্ট মাসের ১৯ তারিখে ছেলেকে নিয়ে মামার বাড়িতে বেড়াতে আসেন মালতি। তারা নিউটাউনের নারকেলবাগান মোড় হয়ে জামিরগাছি বাস স্টপেজে নেমে ওখান থেকে অটো ধরে রাধানগর বাজারে আসে।বাপের বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশ্য নিয়ে সেখানেই অপেক্ষা করছিলেন মালতি। তখনই তাদের সঙ্গে দেখা হয় কাকা কিশোর মন্ডলের।
বাড়ির লোকের অভিযোগ অনুযায়ী, দেড় লক্ষ টাকার সোনার গয়নার লোভ সামলাতে না পেরে, সেই গয়না লুটের উদ্দেশ্য নিয়েই পাঁচ বছরের ছেলে সহ মালতি মন্ডল সরদারকে ফুঁসলিয়ে অপহরণ করেছেন তার গুণধর কাকা।
ঘটনার পর পাঁচ দিন কেটে গেছে। এখনো কোনো খবর নেই মালতি মন্ডল ও তার সন্তানের। যার বিরুদ্ধে অভিযোগ, সেই কাকা কিশোর মণ্ডলকেও খুঁজে পাওয়া যায় নি।


প্রথমে বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটে একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়। পরে হাড়োয়া থানাতেও কাকা কিশোর মন্ডলের বিরুদ্ধে অপহরণের অভিযোগ দায়ের করেছেন মালতীর স্বামী বাসুদেব মন্ডল এবং বাবা নবকুমার সরদার।
এবিষয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করা হয়েছে, বলে জানিয়েছেন হাড়োয়া থানার পুলিশ। পাশাপাশি এর পেছনে কোন বড়সড় পাচার চক্র কাজ করছে কিনা সেটাও খতিয়ে দেখছে হাড়োয়া থানার পুলিশ

একমাত্র মেয়ে তাঁর পাঁচ বছরের সন্তানকে নিয়ে নিখোঁজ হয়ে যাওয়ায় পরিবারে গভীর শোকের ছায়া নেমে রসেছে। মালতির স্বামী বাসুদেব মন্ডল দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। বধূর বাবা নবকুমার সরদারও তার মেয়ের খুঁজে বের কথার আবেদন করেছেন প্রশাসনের কাছে।
শুধুই দেড় লক্ষ টাকার সোনার গয়নার লোভেই কি এই অপরাধ? না কি অপরাধের মূলে অন্য কোনো অজানা কারণও আছে, সেটাও খতিয়ে দেখছে যৌথভাবে নিউটাউন থানা ও হাড়োয়া থানার পুলিশ।