দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের বাসভবনের বাইরে সিবিআই অফিসারদের হেনস্তার পর রাজ্য পুলিশের উপর ভরসা আগেই টলেছে দিল্লির। সিবিআই, ইডি, আয়কর দফতরের মতো কেন্দ্রীয় এজেন্সির কর্তারা এখন সিআরপিএফের বাহিনী নিয়ে তল্লাশি চালাতে যায়।
বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডার কনভয়ে হামলার ঘটনার পর এ বার নেতাদের নিরাপত্তা নিয়ে হয়তো রাজ্য পুলিশের বন্দোবস্তে নিশ্চিন্ত নয় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। তাই দু’কোম্পানি সিআরপিএফ পাঠানো হচ্ছে বাংলায়। বিধানসভা ভোট পর্যন্ত রাজ্যে মোতায়েন থাকবে এই বাহিনী।
আপাতত দুটি জায়গায় বেস ক্যাম্প করবে বাহিনী। দুর্গাপুর এবং খড়্গপুর। যেখানে যখন প্রয়োজন সেখান থেকে জওয়ানদের পাঠানো হবে।
নাড্ডার কনভয়ের উপর হামলার পর রাজ্য বিজেপির তরফে সাংসদ স্বপন দাশগুপ্তর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের দফতরে গিয়ে স্মারকলিপি দেয়। কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে দেখা করেন বঙ্গ বিজেপির নেতারা। কমিশনের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলার পর স্বপন দাশগুপ্ত বলেছিলেন, “বাংলায় আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। কমিশনের কাছে বিজেপির তরফে দাবি জানানো হয়েছে, যাতে এখনই ভোটের আদর্শ আচরণ বিধি জারি করে দেওয়া হয়। তা নাহলে কোনও রাজনৈতিক দল নিরাপদে তাদের রাজনৈতিক কর্মসূচি করতে পারবে না।”
যদিও তৃণমূল তখন বলেছিল, “বিজেপি যা বলবে তাই হবে নাকি? ভারতবর্ষে কোথাও ভোটের পাঁচ মাস আগে আদর্শ আচরণ বিধি লাগু হয় না। তাহলে বাংলায় হবে কেন?”
গত মাসেই তিন দিনের বঙ্গ সফর সেরে গিয়েছেন উপ মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুদীপ জৈন। ফের জানুয়ারিতে তাঁর আসার কথা। পর্যবেক্ষকদের মতে, বিশিষ্টদের নিরাপত্তার জন্য দুই কোম্পানি সিআরপিএফ মোতায়েন করে হয়তো রাজ্য প্রশাসনকে বার্তা দেওয়া হল।