
শেষ আপডেট: 2 February 2023 10:33
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফেব্রুয়ারির বসন্তে ভোট হবে ত্রিপুরায় (Tripura Election)। কিন্তু সেই ভোটে উত্তর-পূর্বের রাজ্যের পাহাড় থেকে সমতল পর্যন্ত প্রচারের ওয়ার্ম আপে বাংলার নেতাদের দাপট অব্যাহত। বিজেপি (BJP), সিপিএম (CPM), কংগ্রেস (Congress)—বাংলার নেতারাই (Bengal Leaders) মোটামুটি ত্রিপুরার প্রচার মাত করতে চলেছেন।
মঙ্গলবার ত্রিপুরার প্রচারে যাচ্ছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং মিঠুন চক্রবর্তী। কয়েকদিন আগেই ত্রিপুরা থেকে ঘুরে এসেছেন দিলীপ ঘোষ। সুকান্ত মজুমদার, লকেট চট্টোপাধ্যায়, অগ্নিমিত্রা পলদেরও যাওয়ার কথা আগরতলায়।
সিপিএমের হয়ে বাংলার মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় নিয়মিত যাতায়াত করছেন ত্রিপুরায়। কয়েক মাস আগে শতরূপ ঘোষও গিয়ে কর্মসূচি করে এসেছেন। ত্রিপুরা সিপিএম সূত্রে খবর, ভোট ঘোষণা হলে বাংলার তরুণ নেতানেত্রীদের প্রচারে পাওয়ার জন্য রিকুইজিশন পাঠানো হবে আলিমুদ্দিন স্ট্রিটকে। তা ছাড়া দলের পলিটব্যুরো ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হিসেবে মহম্মদ সেলিম, সুজন চক্রবর্তীরাও ত্রিপুরা যাবেন বলে জানা গিয়েছে।
তৃণমূল এর আগে উপ নির্বাচন ও পুর নির্বাচনের সময়ে ত্রিপুরায় যেভাবে ঝাঁপিয়ে ছিল এখনও সেভাবে সেই দৌত্য দেখা যাচ্ছে না। তবে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়দের মতো বাংলার নেতারা যে সেখানে বড় ভূমিকা নেবেন তা স্পষ্ট। বিশেষ করে রাজীবের তৃণমূলে ফেরার শর্তই ছিল ত্রিপুরার সংগঠনে কাজ করা। বিজেপি ছেড়ে তিনি তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন ত্রিপুরার মাটিতেই।
কংগ্রেসের ক্ষেত্রেও বাংলার নেতাদের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন সুদীপ রায় বর্মন, বির্জিত সিনহারা। ইতিমধ্যেই এআইসিসি দীপা দাশমুন্সিকে নির্বাচনী স্ক্রিনিং কমিটির চেয়ারপার্সন করেছে। প্রার্থী বাছাইয়ের ব্যাপারে প্রয়াত প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির স্ত্রী ত্রিপুরায় বড় ভূমিকা নিতে চলেছেন। তা ছাড়া প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীরও ত্রিপুরা যাওয়ার কথা রয়েছে বলে খবর।
অনেকের মতে, ভাষার কারণেই সব দল বাংলার নেতাদের ডাকছে ত্রিপুরায়। তা ছাড়া ত্রিপুরার মানুষজনের কাছে বাংলার সব দলের নেতাদের নিয়ে আগ্রহ রয়েছে। তাঁরা খোঁজখবরও রাখেন। সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে পরিচিত মুখও তাঁরা। সেই সূত্রেই ত্রিপুরার প্রচারে বাংলার নেতাদের এত কদর বলে মনে করা হচ্ছে।