দ্য ওয়াল ব্যুরো: কোনও বিপর্যয় ঘটে গেলে ত্রাণ ও উদ্ধারের কাজে মন্ত্রী এবং সাধারণ প্রশাসন ও পুলিশের পদস্থ অফিসাররা পৃথক একটি বাতি গাড়ির মাথায় ব্যবহার করতে পারবেন। যাতে সাধারণ মানুষ বুঝতে পারেন কোথাও কোনও বিপর্যয় ঘটেছে। এই বাতি হবে তেরঙা।
শুক্রবার রাজ্যের পরিবহণ দফতরের সচিব এই মর্মে একটি নির্দেশ জারি করেছেন। সেই তালিকায় রাজ্যের মন্ত্রীদের অন্তর্ভুক্ত করা হলেও নেই রাজ্যপাল ও বিরোধী দলনেতার নাম। এক সরকারি পদাধিকারী নয়া নির্দেশ সম্পর্কে বলেন, পরিস্থিতি বুঝে প্রশাসনকে নির্দেশ, পরামর্শ দিতে মন্ত্রীদের দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছনোর দরকার হয়। রাজ্যপাল, বিরোধী দলনেতার সে দায় নেই। তাই তাঁদের নাম রাখা হয়নি। তাঁদের গাড়ির সঙ্গে পুলিশের পাইলট কার থাকে। তাঁরা চাইলেই ঘটনাস্থলে যেতে পারেন। পুলিশের পাইলট কার মন্ত্রীরাও পান। কিন্তু পৃথক তেরঙা বাতি চালু করা হচ্ছে যাতে সকলে বুঝতে পারেন বিপর্যয়ের ঘটনায় যেতে হচ্ছে সংশ্লিষ্ট গাড়ির আরোহীকে।
পরিবহণ মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম এদিন বলেন, নয়া নির্দেশের অনেকে ভুল ব্যাখ্যা করছেন। বলছেন, তালিকায় গভর্নর নেই, চিফ জাস্টিস নেই কেন? এঁরা সব হাইপ্রোফাইল মানুষ। তাঁদের সঙ্গে মিউনিসিপ্যাল কমিশনার বা পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে তুলনা করা যায় না। এটা ইমার্জেন্সি সার্ভিসের জন্য করা হয়েছে। রাজ্যপাল, বিচারপতিরা সব সময় ভিভিআইপি। নয়া বাতি আমিও শুধু ইমার্জেন্সি সার্ভিসের সময় ব্যবহার করতে পারব। সেই সঙ্গে ফিরহাদ পলেন, 'যদিও আমি গাড়িতে কোনও বাতি ব্যবহার করি না। মেয়র ইমার্জেন্সি সার্ভিসে নেই। কিন্তু কমিশনার আছেন। পুলিশের গাড়িতে যেমন তেরঙা সেই ধরনের বাতি জরুরি পরিস্থিতিতে গাড়িতে ব্যবহার করতে পারবেন মন্ত্রী ও তালিকাভুক্ত অফিসারেরা। এটা কেন্দ্রীয় গাইডলাইন মেনে করা হয়েছে।