ইংরেজি নতুন বছরের শুরুতেই পর্যটকদের জন্য এই সুখবর দিয়েছে ডিএইচআর। আপাতত প্রতি শনিবার ও রবিবার চলবে এই জঙ্গল সাফারি। শিলিগুড়ি জংশন থেকে গয়াবাড়ি পর্যন্ত ঐতিহ্যবাহী টয় ট্রেনে চেপে একদিনের প্যাকেজ সফরের সুযোগ পাবেন পর্যটকেরা।
.jpeg.webp)
ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 12 January 2026 16:25
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পাঁচ বছর পর ফের চালু হল দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ের (Darjeeling Himalayan Railway) বা ডিএইচআর (DHR) টয় ট্রেন জঙ্গল সাফারি (Siliguri Jungle Safari)। পাবলিক–প্রাইভেট পার্টনারশিপ মডেলে (PPP Model) এই বিশেষ পরিষেবা নতুন করে শুরু হয়েছে, যার লক্ষ্য পর্যটন মরশুমে পাহাড় ও ডুয়ার্সমুখী পর্যটকদের আকর্ষণ আরও বাড়ানো।
ইংরেজি নতুন বছরের শুরুতেই পর্যটকদের জন্য এই সুখবর দিয়েছে ডিএইচআর (DHR)। আপাতত প্রতি শনিবার ও রবিবার চলবে এই জঙ্গল সাফারি। শিলিগুড়ি জংশন থেকে গয়াবাড়ি (Siliguri to Gayabari) পর্যন্ত ঐতিহ্যবাহী টয় ট্রেনে চেপে একদিনের প্যাকেজ সফরের সুযোগ পাবেন পর্যটকেরা।
এই বিশেষ যাত্রায় পর্যটকেরা উপভোগ করতে পারবেন উত্তরবঙ্গের চা-বাগান, পাহাড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং স্থানীয় জীবনের নানা ছবি। শিলিগুড়ি থেকে গয়াবাড়ি (Siliguri to Gayabari) যাওয়ার পথে মহানন্দা সংরক্ষিত বনাঞ্চল পড়ে। ভাগ্য ভালো থাকলে ট্রেনে বসেই দেখা মিলতে পারে বুনো হাতির পাল, বাইসন, হরিণ কিংবা অন্য বন্যপ্রাণীর।
ডিএইচআর সূত্রে জানা গেছে, সকাল ১০টায় শিলিগুড়ি জংশন থেকে যাত্রা শুরু করে সরাসরি গয়াবাড়ি পৌঁছবে টয় ট্রেন। পথে সুকনা, রংটং, পাগলাঝোরা ও তিনধারিয়ার মতো পরিচিত স্টেশন ও এলাকার দৃশ্য চোখে পড়বে। গয়াবাড়িতে পৌঁছে যাত্রীদের জন্য লাঞ্চের আয়োজন থাকছে। সন্ধ্যায় ফেরার পথে চা বা কফির সঙ্গে পরিবেশন করা হবে দার্জিলিংয়ের জনপ্রিয় মোমো।
ডিএইচআর-এর ডিরেক্টর ঋষভ চৌধুরী জানিয়েছেন, চলতি পর্যটন মরশুমে জঙ্গল সাফারির পাশাপাশি আরও একাধিক বিশেষ সাফারি পরিষেবা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এতে পর্যটকদের কাছে দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ের আকর্ষণ আরও বাড়বে বলে আশা।
এই প্রকল্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত বেসরকারি সংস্থার প্রধান সঞ্জয় গোস্বামী জানান, যাত্রার শুরুতেই যাত্রীদের জন্য ব্রেকফাস্টের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। নিরাপত্তার দিকেও বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। যেমন - প্রতিটি কামরায় মহিলা কর্মী থাকবেন। পুরো সফরটি এক দিনের নিরাপদ ও সাজানো ডে-আউটিং হিসেবেই পরিকল্পিত।
মাথাপিছু ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার ২০০ টাকা। প্রথম দিনের যাত্রায় ২৬ জন পর্যটক অংশ নেন। কামরার পরিবেশ ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন যাত্রীরা। সঞ্জয় গোস্বামী জানান, আপাতত সাত বছরের চুক্তিতে এই জঙ্গল সাফারি পরিষেবা চালানো হবে এবং প্রতি শনি–রবিবারের পাশাপাশি সরকারি ছুটির দিনেও পরিষেবা মিলবে।