ভর্তিতে তোলাবাজি, জয়াকে দিয়ে পাঁচটি কলেজে ইউনিট ভাঙাল হাইকম্যান্ড
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কলেজে কলজে শাসক দলের ছাত্র সংগঠনের বল্গাহীন তোলাবাজি সামনে আসতেই আঙুল উঠেছিল তাঁর দিকে। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের রাজ্য সভাপতি জয়া দত্তকে আর ওই পদে রাখা হবে কিনা তা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছিল শাসক দলের অন্দরে। অবশেষে সোমবার ব
শেষ আপডেট: 3 July 2018 11:28
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কলেজে কলজে শাসক দলের ছাত্র সংগঠনের বল্গাহীন তোলাবাজি সামনে আসতেই আঙুল উঠেছিল তাঁর দিকে। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের রাজ্য সভাপতি জয়া দত্তকে আর ওই পদে রাখা হবে কিনা তা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছিল শাসক দলের অন্দরে। অবশেষে সোমবার বিকেলে ময়দানে নামেন জয়া। তৃণমূল ভবনে সভা করেন মধ্য কলকাতার কলেজগুলির নেতাদের নিয়ে। সোমবারই জানিয়ে দেন মঙ্গল এবং বুধবার তিনি বসবেন দক্ষিণ ও উত্তর কলকাতার কলেজগুলির নেতাদের সঙ্গে। আজকে বৈঠকের পর সাংগঠনিক ভাবে কড়া সিদ্ধান্ত নিল টিএমসিপি। ভেঙে দেওয়া হলো কলকাতার একাধিক কলেজের ইউনিট। তবে শাসক দলের একটি সূত্রের দাবি এই সিদ্ধান্ত জয়ার নয়। উপর থেকেই তাঁকে এই কাজের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন:
বদলালো না টিএমসিপি , ভর্তির নিয়ম বদল সরকারের
গুরুদাস, আমহার্স্ট স্ট্রিট সিটি, আনন্দমোহন, সুরেন্দ্রনাথ এবং বিদ্যাসাগর কলেজের টিএমসিপি’র ইউনিট ভেঙে দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছে। দক্ষিণ কলকাতার কলেজগুলির নেতাদের নিয়ে বৈঠকে জয়া বলেন, ‘কোনো কলেজে দুর্নীতির অভিযোগ এলে রেয়াত করা হবে না। বেনোজলের মতো ঢুকে দলের বদনাম করার চেষ্টা করছে। ধরে ধরে চিহ্নিত করা হচ্ছে। সবাইকে বের করে দেওয়া হবে।’ সেই সঙ্গে জয়ার দাবি, ‘যারা গ্রেফতার হয়েছে তারা কেউ বর্তমানে ছাত্র নয়। সবাই প্রাক্তন। প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে যা ব্যবস্থা নেওয়ার নেবে।’ জয়ার দাবি, ‘বহিরাগত রংমিলান্তি পাখিদের জন্যই এমন ঘটছে।’
আরও পড়ুন:
বাঁকুড়ায় তৃণমূলের উইকেট ফেললেন মুকুল রায়, সামিল বিজেপি'তে
রাজনৈতিক মহলের মতে, জয়ার এই সাংগঠনিক ঝাঁকুনি অনিবার্য হয়ে পড়েছিল। দলের অভ্যন্তরে জয়ার বদলি হিসেবে লগ্নজিতা চক্রবর্তী, সার্থক বন্দ্যোপাধ্যায়দের মতো নামও শোনা যাচ্ছিল বাইপাসের ধারের তৃণমূল ভবনের করিডোরে। মুখ্যমন্ত্রীও সন্তুষ্ট নন দলের ছাত্র সংগঠনের এই কারবারে। আর এতেই নড়েচড়ে বসে জয়া অ্যান্ড কোং।