
শেষ আপডেট: 17 June 2023 04:31
দ্য ওয়াল ব্যুরো: যাতায়াত বাড়িয়েছিল বিজেপি। পা জমিয়েছিল সিপিএমও। কিন্তু দুই বিরোধী দলের সাংগঠনিক ‘দশা’ বেআব্রু হয়ে গেল বগটুইয়ে। যেখানে চারটি আসনের মধ্যে একটিতে প্রার্থীই দিতে পারল না তারা। ফলে সেই আসনে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন তৃণমূলের নূর আলম ওরফে কালু।
বগটুইয়ের এই গ্রামসভায় চারটি আসন। তারমধ্যে তিনটিতে বিজেপি, সিপিএম প্রার্থী দিলেও, অন্য একটিতে লোক খুঁজে পায়নি। যদিও প্রার্থী দিতে না পারার পিছনে তৃণমূলের সন্ত্রাসকে দায়ী করেছে বাম ও বিজেপি। পাল্টা শাসকদলের বক্তব্য, যদি সন্ত্রাসই হবে তাহলে বাকি তিনটি আসনে বিরোধীরা প্রার্থী দিল কী করে?
২০২২-এর ২০ মার্চ বগটুইয়ের বড়শাল গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান ভাদু সেখ খুন হয়েছিলেন। তারপর সেই রাতেই বদলার আগুনে পুড়েছিল গোটা গ্রাম। লাইন দিয়ে বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয় ভাদুর বাহিনী। জীবন্ত জ্বলে মারা যান ১০ জন। যে ঘটনার তদন্ত করছে সিবিআই।
তিনদিন বাদে রামপুরহাট এক নম্বর ব্লকের বগটুইয়ে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অকুস্থলে দাঁড়িয়েই ব্লক সভাপতি আনারুল হোসেনকে গ্রেফতাররের নির্দেশ দিয়েছিলেন মমতা। তারপর ক্ষতিপূরণের প্যাকেজও ঘোষণা করেছিলেন।
কিন্তু মাঝের এক বছরে বগটুইয়ে বিজেপি শক্তি নিক্ষেপ করেছিল। সংখ্যালঘু গ্রামের অনেকে শুভেন্দু অধিকারীর মঞ্চে হাজির হয়েছিলেন। এ ব্যাপারে মিহিলাল সেখ সবার থেকে এগিয়ে। কিন্তু দেখা গেল, বিজেপি বা সিপিএম যা করেছে সবটাই উপর উপর। সাংগঠনিক শক্তিতে এখনও সেখানে এগিয়ে তৃণমূলই। তবে বাকি তিন আসনের ভোটে কী হয় সেদিকেও নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।
‘…কীভাবে বাতাসা দিতে হয় দেখছি’, নন্দীগ্রামে বিজেপির নির্দলকে হুমকি, সেই প্রলয়ের অডিও ভাইরাল