
শেষ আপডেট: 10 March 2024 09:20
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রবিবার ব্রিগেডে তৃণমূলের ‘জনগর্জন’ সভা। ইতিমধ্যে উত্তরবঙ্গ-সহ দূরের জেলার কর্মীরা পৌঁছে গিয়েছেন কলকাতায়। রবিবার সকাল থেকে বাকি জেলার কর্মীদের গন্তব্যও ব্রিগেডমুখী।
মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, বর্ধমান, আসানসোল-সহ প্রতিটি জেলা থেকে কর্মীরা কলকাতামুখী। জেলায় জেলায় স্টেশন ও বাসস্ট্যান্ডগুলিতে উপচে পড়া ভিড়। এছাড়াও বিভিন্ন জেলায় দলের তরফেও কর্মীদের ব্রিগেডে আনার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে ব্রিগেডকে ঘিরে সকাল থেকেই ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা তৃণমূলের কর্মী সমর্থকদের মধ্যে। হাওড়া, শিয়ালদহ স্টেশনে সকাল থেকেই দেখা গিয়েছে ব্রিগেডমুখী জনতাকে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এদিনের সমাবেশে হাজির থাকবেন সন্দেশখালির বাসিন্দারাও। ইতিমধ্যে সন্দেশখালির বিধায়ক সুকুমার মাহাত-সহ দলের স্থানীয় নেতা, কর্মীরা নদী পথ অতিক্রম করে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন ।
তৃণমূলের ব্রিগেডে এবারই প্রথম দক্ষিণ ভারতের ধাঁচে তৈরি করা হয়েছে ব়্যাম্প। দর্শকাসনে থাকা দলীয় কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে আরও বেশি জনসংযোগের লক্ষ্যেই ব্রিগেডে এই প্রথমবার দেখা মিলবে র্যাম্পের! যে ব়্যাম্পে হেঁটে মাঠমাঠে পৌঁছে যাবেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়
১০০ দিনের বকেয়া-সহ বিভিন্ন প্রকল্পে কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে রবিবার ব্রিগেডে সমাবেশের ডাক দিয়েছে তৃণমূল। সূত্রের খবর, জমায়েতের নিরিখে অতীতের যাবতীয় রেকর্ড ভেঙে দিতে পারে এবারের সমাবেশ। লোকসভা ভোটের মুখে এই সমাবেশ। ইতিমধ্যে ১০ দিনে রাজ্যে চার চারটি সভা করে ফেলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। স্বভাবতই, এদিনের মঞ্চ থেকে মমতা, অভিষেক কী বলেন, তা নিয়ে কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে তো বটেই রাজনৈতিক মহলেও তীব্র কৌতূহল রয়েছে।
অন্যদিকে তৃণমূলের ব্রিগেডকে ঘিরে শহর যাতে অবরুদ্ধ না হয়ে যায়, তাই সকাল থেকেই পথে নেমেছে অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী। শহরের একাধিক রাস্তায় যান নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে।
ইতিমধ্যে ব্রিগেডে আসতে শুরু করেছেন কর্মী সমর্থকরা। রয়েছে পর্যাপ্ত পুলিশি নিরাপত্তার ব্যবস্থাও। সকাল ১১ টা থেকে শুরু হবে সমাবেশ।
মূল মঞ্চটি হচ্ছে ৭২ ফুট বাই ২০ ফুটের। এখানে মমতা, অভিষেক ছাড়াও দলের সাংসদ এবং শীর্ষ নেতৃত্ব থাকবেন। এছাড়াও এই মঞ্চে বেশ কয়েকজন বিশিষ্টজনেরও বসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। যার মধ্যে লোকসভার সম্ভাব্য কয়েকজন প্রার্থীও থাকতে পারেন। বস্তুত, এই মঞ্চ থেকেই দলনেত্রী রাজ্যের ৪২টি কেন্দ্রের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করতে পারেন।
মূল মঞ্চের দু' পাশে ৬৮/২৪ ফুটের আরও দুটি মঞ্চ থাকছে। একটি মঞ্চে দলের এরাজ্যের বিধায়করা থাকবেন। অন্যটিতে মেঘালয়, অসম, ত্রিপুরা বা উত্তরপ্রদেশের দলীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন। অর্থাৎ কলকাতায় ব্রিগেড সমাবেশের আয়োজন হলেও এর রেশ সারা দেশ ব্যাপী ছড়িয়ে দিতে চাইছে শাসকদল। ব়্যাম্প-সহ সবকটি মঞ্চ মিলিয়ে প্রায় ৬০০ জন নেতৃত্ব স্টেজে থাকবেন, যা অতীতে কখনও হয়নি বলে নেতৃত্বর দাবি।