
শেষ আপডেট: 17 March 2023 10:10
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শুক্রবার কালীঘাটে (Kalighat) দলের সমস্ত বিধায়ককে বৈঠকে ডেকেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। কিন্তু সেই বৈঠকে উপস্থিত হলেন না ইসলামপুরের তৃণমূল বিধায়ক আবদুল করিম চৌধুরী (Abdul karim Chowdhury)। দিদির ডাকা বৈঠকে গড় হাজিরা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আবদুল করিম বলেন, ‘কী করতে কালীঘাটে যাব? আমি বিদ্রোহী বিধায়ক।’
গত মেয়াদে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মন্ত্রিসভায় মন্ত্রীও ছিলেন আবদুল করিম চৌধুরী। এবার তাঁকে আর মন্ত্রিসভায় রাখেননি দিদি। এদিন করিম চৌধুরী বলেন, ‘ওখানে গেলে বক্সী (পড়ুন তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী) বলবে, ব্যক্তির চেয়ে দল বড়। আমার ৫২-৫৫ বছর রাজনীতিতে হয়ে গেছে। এখন এসব কথা কে শুনতে যাবে?’
এখানেই থামেননি বর্ষীয়ান এই তৃণমূল নেতা। তিনি আরও বলেন, ‘আমার সমস্যার ব্যাপারে তো নেত্রীই কিছু করছেন না। আমার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। সেখানে গিয়ে কী হবে।’ করিম চৌধুরীর কথায়, ‘আমি নিজেকে বিদ্রোহী হিসাবে ঘোষণা করেছি। সেভাবেই থাকব। মানুষের কাজের জন্য দরকারে রাস্তায় নামব।’
আবদুল করিম চৌধুরী মাঝেমাঝেই ফুঁসে ওঠেন। উত্তর দিনাজপুরের তৃণমূল নেতা কানহাইয়ালাল আগরওয়ালের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ভাল নয়। জেলায় বিরুদ্ধ গোষ্ঠীর সঙ্গে তাঁর লোকজনের গন্ডগোল লেগেই থাকে। কিন্তু কখনওই ক্ষোভ জেলার চৌহদ্দির বাইরে বেরোয়নি। এবার কালীঘাটের উদ্দেশেই ক্ষোভের কথা জানালেন আবদুল করিম চৌধুরী। যা জেলার রাজনীতিতে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মত অনেকের।