দ্য ওয়াল ব্যুরো: ৬০ লক্ষ টাকার ব্রাউন সুগার-সহ ধরা পড়েছেন তৃণমূল (TMC) নেতা! অভিযোগ উঠতেই তোলপাড় শুরু হয়েছে শিলিগুড়িতে। আর ধৃতের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক অস্বীকার করেছে রাজ্যের শাসকদল।
গত ২১ অক্টোবর শিলিগুড়িতে ৬০ লক্ষ টাকা মূল্যের ব্রাউন সুগার পাচার করতে গিয়ে পুলিশের হাতে কৌস্তভ তলাপাত্র নামে এক যুবক ধরা পড়েন। ২২ অক্টোবর ওই যুবককে আদালতে তোলে পুলিশ।
এই মাদক পাচারের ঘটনা নিয়ে উত্তরবঙ্গে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়। বিজেপির অভিযোগ ধৃত কৌস্তভ তলাপাত্র জলপাইগুড়ি জেলা যুব তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক। যদিও তৃণমূল এই কথা অস্বীকার করেছে।
বিজেপির পক্ষ থেকে পাল্টা কৌস্তভ তলাপাত্রের তৃণমূল যোগ নিয়ে তথ্য প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে। তাদের দাবি 'বাংলার গর্ব মমতা', বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূলের এই প্রচার কর্মসূচীর সূচনা অনুষ্ঠানে ভিআইপি অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওই যুবক। এই দাবির সপক্ষে কলকাতার নেতাজি ইন্ডোরে আয়োজিত অনুষ্ঠানের একটি গেট পাস প্রকাশ্যে এনেছে গেরুয়া শিবির। সেই সঙ্গে ওই যুবক জলপাইগুড়ি জেলা যুব তৃনমূলের সভাপতি সৈকত চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে দাবি বিজেপির। তাদের দাবি কৌস্তভকে সামনে রেখে তৃণমূলের শীর্ষস্থানীয় নেতারা মাদক পাচারের কাজ করত।
গেরুয়া শিবিরের যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। তাদের দাবি দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তিন বছর আগে কৌস্তভকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। উল্টে ওই যুবক বর্তমানে বিজেপি ঘনিষ্ঠ ছিলেন বলে রাজ্যের শাসকদলের দাবি। তাঁর সঙ্গে যুব মোর্চার জেলা সভাপতি সহ অনেক বিজেপি নেতার ছবি আছে বলে দাবি তৃণমূলের।
মাদক পাচারের এই ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য এনসিবির নজরে বিষয়টি আনা হবে বলে বিজেপি জানিয়েছে। সেই সঙ্গে তাদের দাবি এই ঘটনার শিকড় অনেক গভীরে লুকিয়ে আছে। এই বিষয়ে তদন্তে কোনরকম গাফিলতি হলে বড়সড় আন্দোলনের পথে হাঁটার হুঁশিয়ারি দিয়েছে বিজেপি।