
শেষ আপডেট: 19 December 2022 13:37
দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব বর্ধমান: বিশ্বকাপেও ( FIFA World Cup Final ) তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের আঁচ ( TMC Clash) । রবিবার রাতে প্রায় গোটা পৃথিবী যখন মেসি আর এমবাপে মজে, তখন তেতে উঠল তৃণমূলের অন্দর। মারপিটে জখম হলেন বেশ কয়েকজন।
খেলা দেখতে বর্ধমান ( Burdwan ) শহরের ২২ নম্বর ওয়ার্ডের হারাধন পল্লীর মাঠে জায়ান্ট স্ক্রিন বসিয়েছিলেন এলাকার তৃণমূল নেতা সেখ সবুর আলি ওরফে কালুয়া। এলাকারই পিকু রায় ও দীপু রায় ও তাঁদের অনুগামীরা কালুয়ার বিরুদ্ধ গোষ্ঠী হিসেবেই পরিচিত। তাঁরাও স্থানীয় ক্লাবে খেলা দেখার আয়োজন করে। আর গন্ডগোল বাঁধে সেখানেই।
আইসিডিএস কর্মীর ভুলে বাদ পড়েছে নাম! আবাস যোজনার সার্ভে নিয়ে বিক্ষোভ
সেখ সবুর আলি ওরফে কালুয়ার অভিযোগ, তাঁর গোষ্ঠীতে আর্জেন্টিনার সমর্থক বেশি ছিল, তাই পিকু ও দীপুর সমর্থকরা ফ্রান্সকে সাপোর্ট করে। আবার দীপু ও পিকু গোষ্ঠীর পাল্টা অভিযোগ, তাঁর গোষ্ঠীতে ফ্রান্সের সমর্থক বেশি ছিল, তাই কালুয়ার অনুগামীরা আর্জেন্টিনাকে সমর্থন করে। যতক্ষণ খেলা চলে ততক্ষণই দুই শিবির একে অন্যকে লক্ষ্য করে কুমন্তব্য করতে থাকে বলে অভিযোগ। তাই নিয়ে উত্তেজনার পারদও চড়তে তাকে। রাতে আর্জেন্টিনার হাতে কাপ উঠতেই শুরু হয়ে যায় হাতাহাতি। এমনকি ইট, পাথর ও লাঠি দিয়ে হামলা শুরু হয়। ঘায়েল হন বেশ কয়েকজন। বর্ধমান থানার পুলিশ পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। দুই গোষ্ঠীই একে অপরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ এনেছে।
জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র জানান, এলাকা কার দখলে থাকবে তাই নিয়ে তৃণমূলের সেখ সবুর আলি ও পিকু-দীপুর গোষ্ঠীর সঙ্গে বিবাদে এখানকার মানুষ অতিষ্ট। বিশ্বকাপের আবহেও তাতে ছেদ পড়ল না। বরং কে কোন দলকে সমর্থন করছে তাই নিয়ে মারপিটে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল এলাকা।
তবে এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই বলেই দাবি করেছেন জেলা তৃণমূলের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস। তিনি বলেন, “খেলা নিয়ে দু দলের সমর্থকদের মারামারি হয়েছে। এর সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই। বিজেপি এই ধরণের অপপ্রচার চালাচ্ছে। মানুষই এর জবাব দেবে।”