ব্যারাকপুর স্টেশনের হকার উচ্ছেদের নোটিসকে কেন্দ্র করে তৃণমূল-সিপিএমের যৌথ বিক্ষোভ
দ্য ওয়াল ব্যুরো: হকার উচ্ছেদের নোটিস জারি করাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল ব্যারাকপুর স্টেশন (Barrackpore Station) দীর্ঘ দিন ধরে ব্যারাকপুর শাখায় বিভিন্ন রেল স্টেশন চত্বরে হাজার হাজার হকার ব্যবসা করে রুটি রুজি চালান। তাদের উচ্ছেদের নোটিস
শেষ আপডেট: 14 September 2021 11:48
দ্য ওয়াল ব্যুরো: হকার উচ্ছেদের নোটিস জারি করাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল ব্যারাকপুর স্টেশন (Barrackpore Station) দীর্ঘ দিন ধরে ব্যারাকপুর শাখায় বিভিন্ন রেল স্টেশন চত্বরে হাজার হাজার হকার ব্যবসা করে রুটি রুজি চালান। তাদের উচ্ছেদের নোটিসকে কেন্দ্র করে তৃণমূল ও সিপিএম যৌথ বিক্ষোভ দেখায় স্টেশনে।
সম্প্রতি রেল কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নেয়, স্টেশন চত্বর ও লাগোয়া এলাকা থেকে সমস্ত হকারদের সরিয়ে দেওয়া হবে। তার পরিপ্রেক্ষিতেই ব্যারাকপুর স্টেশনের বিভিন্ন জায়গায় হকার উচ্ছেদের নোটিস দিয়েছে রেল দফতর। রেলের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে মঙ্গলবার দুপুরে যৌথ ভাবে বিক্ষোভ দেখাল তৃণমূল ও সিপিএম।
আরও পড়ুন:
দুষণ ও খরচ কমাতে পরিবেশ-বান্ধব বৈদ্যুতিক গাড়ি পাচ্ছে কলকাতা পুলিশ
এদিন স্টেশনের আরপিএফ অফিস ও স্টেশনমাস্টারের ঘরের সামনে দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল ও বাম কর্মীরা। রেল দফতরকে বিভিন্ন দাবি নিয়ে একটি ডেপুটেশন জমা দেন তাঁরা। উভয় পক্ষের দাবি, হকারদের পুনর্বাসন দিতে হবে। পুনর্বাসন না দিয়ে হকারদের উচ্ছেদ করা যাবেনা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায় ব্যারাকপুর স্টেশন চত্বরে।
এদিন বিক্ষোভে সামিল হয়ে জগদ্দলের তৃণমূল বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম বলেন, "আমরা রেল কর্তৃপক্ষের কাছে একটি দাবি জানিয়েছে যে এই চত্বরে প্রায় ২০০-২৫০ জন হকার আছে। তাঁদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করে কোনোভাবেই উচ্ছেদ করতে দেব না। কেন্দ্র সরকার হকার উচ্ছেদের জন্য বাংলাকেই বেছে নিয়েছে শুধু।"
সেই একই সুরে সুর মিলিয়ে পুনর্বাসনের দাবি জানালেন সিপিএম নেত্রী গার্গী চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, "পুনর্বাসন করা উচ্ছেদ করা যাবে না। কোনোভাবেই তা মেনে নেওয়া হবে না। আগেও আমরা এই নিয়ে মিটিং করেছি, ভবিষ্যতেও করব।"
শিয়ালদা-রানাঘাট শাখার বেলঘড়িয়া থেকে কাঁচরাপাড়া পর্যন্ত প্রায় ৪০ হাজার হকার রয়েছেন। যাঁরা এই রেল নির্ভর হকারি করে জীবন-জীবিকা চালান। সামনে দুর্গোৎসব তার আগে ব্যবসা বন্ধ হলে পথে বসতে হবে তাঁদের পরিবারকে।
পূর্ব শাখার সিপিআরও একলব্য চক্রবর্তী দ্য ওয়ালকে জানান, "কয়েকদিন আগে রেলের তরফে স্থানীয় বাসিন্দা ও নিত্যযাত্রীদের সঙ্গে কথা বলা হয় তাদের অসুবিধার কথা জেনেই এই হকার তোলার সুপারিশ মতো আজ থেকে কাজ শুরু করার কথা ছিল। রাজ্য সরকারকেও সেই কথা জানানো হয়। কিন্তু বিক্ষোভের কারণে সেই কাজ শুরু সম্ভব হয়নি। রাজ্য পুলিশের তরফে কোনো সহযোগিতা মেলেনি।"
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'