দ্য ওয়াল ব্যুরো: পর পর গুলি করে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হল এক তৃণমূলকর্মীকে। মৃত্যু নিশ্চিত করতে ছোড়া হল বোমাও। মঙ্গলবার রাতে দুষ্কৃতী হানায় তেতে উঠল কান্দি থানার যশোহরি আনোখা ২ নম্বর গ্রামপঞ্চায়েতের রুদ্রবাটি গ্রাম। ঘটনায় চার জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন সিভিক ভলান্টিয়ার। তাঁকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে খবর, নিহত তৃণমূলকর্মীর নাম গৌরাঙ্গ মণ্ডল (৩৮)। কান্দি ব্লক অফিস থেকে বাড়ি ফেরার সময় গতকাল রাতে তাঁকে ঘিরে ধরে জনা কয়েক যুবক। সেই সময় বাইকে ছিলেন তিনি। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বাইক ঘিরে ধরে প্রথমে হম্বিতম্বি শুরু করে যুবকরা। প্রত্যেকের হাতেই ছিল অস্ত্র। প্রথমে গৌরাঙ্গবাবুকে লক্ষ্য করে পর পর গুলি ছোড়া হয়। পরে মৃত্যু নিশ্চিত করতে তাঁর উপর দু’টি তাজা বোমা ছোড়ে আততায়ীরা। ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন তিনি।
বোমার শব্দ শুনে ছুটে এসে তাঁকে উদ্ধার করেন স্থানীয়রা। কান্দি মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। ঘটনার পরই উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাতেই এলাকার বাসিন্দা অরুণ ঘোষ, সুখেন পাল, অক্ষয় পাল এবং শিশির পালের নামে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়। সুখেনবাবু এলাকার সিভিক ভলান্টিয়ার। তাঁকে গতকাল রাতেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার তাকে কান্দি মহকুমা আদালতে তোলা হবে। বাকিদের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে।
খুনের ঘটনা প্রসঙ্গে শাসক দলের দাবি, গৌরাঙ্গবাবু তৃণমূলের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। রাজনৈতিক কারণেই এই খুন করা হয়েছে। তবে প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, কোনও রাজনৈতিক কারণ নয়, বরং পুরনো কোনও শত্রুতার জেরেই এই খুন করা হয়েছে।