
শেষ আপডেট: 21 April 2019 18:30
রক্তাক্ত অবস্থায় অন্তেষবাবু-সহ চার জনকে প্রথমে তপন থানা এলাকারই একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয় বালুরঘাট হাসপাতালে। বুথ সভাপতির অবস্থা গুরুতর। রামদার কোপে মাথা ফেটেছে পতিত রাজবংশীর (৫৫)। হাসপাতাল সূত্রে খবর, তাঁর মাথায় দশটি সেলাই পড়েছে। বাকিদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
পুলিশ জানিয়েছে, হামলার খবর পেয়ে যখন তাঁরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন, ততক্ষণে গ্রামবাসীদের সঙ্গে রীতিমতো সংঘর্ষ বেধে গেছে দুষ্কৃতীদের। দু'জনকে ধরেও ফেলে উত্তেজিত জনতা। তারপর শুরু হয় বেধড়ক মার। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।দক্ষিণ দিনাজপুরের পুলিশ সুপার নগেন্দ্রনাথ ত্রিপাঠির কথায়, গ্রামবাসীদের দাবি ওই দু'জন তৃণমূল কর্মী। তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। সংঘর্ষের ঘটনায় আহত হয়েছেন এক গ্রামবাসী। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলেও পুলিশ পিকেট বসানো হয়েছে।
বিজেপির তপন ব্লক কমিটির কার্যকর্তা বিপ্লব চক্রবর্তীর দাবি, এই এলাকা বিজেপির অন্যতম শক্ত ঘাঁটি। তাই ভোটের মরসুমে সন্ত্রাস ছড়াতে পরিকল্পিতভাবেই হামলা চালিয়েছে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। তপনের বিধায়ক তথা রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী বাচ্চু হাঁসদার কথায়, "এমন ঘটনার কথা জানা নেই। তবে তৃণমূলের কেউ জড়িত নন।"