Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
নববর্ষের শুভেচ্ছাতেও মুখ্যমন্ত্রীর SIR তোপ! বাংলায় পয়লা বৈশাখের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীরইরানের সব পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ করে‌ দেওয়া হয়েছে, দাবি আমেরিকার, চিন্তা ইরানি ল্যান্ডমাইনও Poila Baisakh: দক্ষিণেশ্বর থেকে কালীঘাট, নববর্ষে অগণিত ভক্তের ভিড়, পুজো দিতে লম্বা লাইনপয়লা বৈশাখেই কালবৈশাখীর দুর্যোগ! মাটি হতে পারে বেরনোর প্ল্যান, কোন কোন জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাসমেয়েকে শ্বাসরোধ করে মেরে আত্মঘাতী মহিলা! বেঙ্গালুরুর ফ্ল্যাটে জোড়া মৃত্যু ঘিরে ঘনীভূত রহস্য UCL: চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ চারে পিএসজি-আতলেতিকো, ছিটকে গেল বার্সা-লিভারপুল‘ইরানকে বিশ্বাস নেই’, যুদ্ধবিরতির মাঝে বিস্ফোরক জেডি ভ্যান্স! তবে কি ভেস্তে যাবে শান্তি আলোচনা?১৮০ নাবালিকাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে শোষণ! মোবাইলে মিলল ৩৫০ অশ্লীল ভিডিও, ধৃতের রয়েছে রাজনৈতিক যোগ ৩৩ বছর পর মুখোমুখি ইজরায়েল-লেবানন! ওয়াশিংটনের বৈঠকে কি মিলবে যুদ্ধবিরতির সমাধান?ইউরোপের আদালতে ‘গোপনীয়তা’ কবচ পেলেন নীরব মোদী, জটিল হচ্ছে পলাতক ব্যবসায়ীর প্রত্যর্পণ-লড়াই

‘মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে এটাই শেষ একুশে জুলাই’, মমতাকে কটাক্ষ দিলীপ ঘোষের

দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনার জন্য এবার বড় জমায়েত বন্ধ। তাই একুশে জুলাইয়ের বক্তৃতা এবার ভার্চুয়ালি দেবেন দিদি। সাত সকালে হাঁটতে বেরিয়ে সেই বক্তৃতা নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এদিন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ

‘মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে এটাই শেষ একুশে জুলাই’, মমতাকে কটাক্ষ দিলীপ ঘোষের

শেষ আপডেট: 20 July 2020 18:30

দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনার জন্য এবার বড় জমায়েত বন্ধ। তাই একুশে জুলাইয়ের বক্তৃতা এবার ভার্চুয়ালি দেবেন দিদি। সাত সকালে হাঁটতে বেরিয়ে সেই বক্তৃতা নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এদিন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে কটাক্ষ করে দিলীপবাবু বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে এটাই শেষ একুশে জুলাই!” সন্দেহ নেই কী বলতে চেয়েছেন দিলীপবাবু। প্রসঙ্গত, সামনের বছর বিধানসভা ভোট সঠিক সময়ে হলে, এটাই শেষ একুশে জুলাই। মঙ্গলবার নিউ টাউনের ইকো পার্কে মর্নিং ওয়াকে গিয়েছিলেন মেদিনীপুরের সাংসদ। সেখানে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “যারা শহিদদের রক্তের বিনিময়ে সরকারে এল, তারা এখন বিরোধী রাজনৈতিক দলের কর্মী আর সাধারণ মানুষকে শহিদ করছে।” তিনি আরও বলেন, “ ১৯৯৩ সালের সঙ্গে এখনকার পরিস্থিতির কোনও ফারাক নেই। বরং আরও খারাপ হয়েছে। তখন এক জায়গায় গুলি চলেছিল। এখন সারা বাংলা জুড়ে গুলি-বোমা চলছে।” দিলীপ ঘোষের কথায়, “যাঁরা গণতন্ত্রের জন্য প্রাণ দিয়েছেন, তাঁদের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা আছে। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শহিদ দিবসের নামে প্রহসন করছেন। বিরোধীদের মেরে টাঙিয়ে দেওয়া হচ্ছে।” গতকালই দিলীবাবু বলেছিলেন, একুশে জুলাইয়ের সমাবেশ মানেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ড্রামা। এটা বাংলার মানুষ বুঝে গিয়েছেন। রাজনৈতিক দিক থেকে এবারের একুশে জুলাইয়ে দিদির বক্তৃতা তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ অনেকের মতে, বিধানসভা ভোটের দিকে তাকিয়ে দলীয় কর্মীদের দিশা দেবেন তিনি। ভার্চুয়াল সভা থেকে কী বলবেন এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের। বাংলায় সপ্তাহে দু’দিন লকডাউন নিয়েও সরকারের সমালোচনা করেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর কথায়, “যখন টানা তিন মাস লকডাউন হয়েছিল তখনও বিশেষ বিশেষ জায়গায় লোকজন ঘুরেবেড়িয়েছে। প্রশাসন বাধা দেয়নি। আর যখন গোষ্ঠী সংক্রমণ শুরু হয়েচ গিয়েছে তখন এসব দু’দিন লকডাউন করা হাস্যকর সিদ্ধান্ত।” তবে দিলীপ ঘোষের এ হেন বক্তব্য নিয়ে শাসকদলের অনেকে বলছেন, দিলীপবাবুরা আর কী করে শহিদের মর্ম বুঝবেন। শহিদ সেই দলের কর্মীরাই হন যাঁরা রাস্তায় নেমে আন্দোলন করেন। সিপিএমের বিরুদ্ধে বাংলায় আন্দোলন হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বেই। আর দিলীপবাবুরা মাঠে-ময়দানে নেই। আছেন সুধু ফেসবুক, টুইটার আর সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরার সামনে। সুতরাং ওঁরা এর থেকে বেশি আর কীই বা বলবেন।”

```