দ্য ওয়াল ব্যুরো: শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে বিধানসভার বাজেট অধিবেশন। নিয়মানুযায়ী তা শুরু হয় রাজ্যপালের বক্তৃতা দিয়ে। কিন্তু সরকারের লিখে দেওয়া সেই বক্তৃতা নিয়ে আপত্তি তুলেছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। এদিন রাজ্যপাল বিধানসভায় এলেও দীর্ঘ বক্তৃতা পড়েননি। বরং চার মিনিটের মধ্যেই ভাষণ শেষ করে কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান রাজ্যপাল।
তারপর রাজ্যপালের ভাষণের যে কপি সংবাদমাধ্যমের হাতে দেওয়া হয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে সেই লিখিত বক্তৃতায় বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসার কোনও উল্লেখ নেই। অনেকের মতে, এই কারণেই হয়তো আপত্তি জানিয়েছিলেন রাজ্যপাল।
কারণ ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে তিনি গোড়া থেকেই সরব। শীতলকুচি, নন্দীগ্রামের মতো এলাকায় ঘুরেও এসেছিলেন তিনি। হিংসার ঘটনা নিয়ে নবান্ন-রাজভবন সংঘাত যখন চরমে তখন বাজেট অধিবেশনের সূচনা বক্তৃতায় সেসবের উল্লেখ নেই। যদিও কী কারণে ধনকড় আপত্তি জানিয়েছিলেন তা অবশ্য স্পষ্ট নয়।
ওই বক্তৃতায় আরও লেখা রয়েছে রাজ্যের মানুষের মধ্যে বিভাজন তৈরি করতে সক্রিয় রয়েছে একটি গোষ্ঠী। ফেক ভিডিও ছড়ানোর কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত এদিন ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে রাজ্যের তীব্র সমালোচনা করেছে হাইকোর্ট। যাদবপুরে ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনা সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করতে গিয়ে হামলার মুখে পড়তে হয়েছিল জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশনের সদস্য তথা ভোট পরবর্তী হিংসা খতিয়ে দেখার কমিটির অন্যতম সদস্যকে। তা নিয়েও ক্ষুব্ধ আদালত ডিসিপি এসএসবি রশিদ মুনির খানকে শো-কজ করেছে।
যদিও এদিন বিধানসভার বাইরে সাংবাদিক সম্মেলন করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, ভোট পরবর্তী হিংসার মামলা বাংলার বাইরে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হোক।