
শেষ আপডেট: 18 May 2020 02:00
সেইসঙ্গে বলা হয়েছে, কনটেনমেন্ট জ়োনগুলিতে শুধু জরুরি পরিষেবা চালু থাকবে। রাজ্য সরকার চাইলে রাজ্যের ভিতরে ও বাইরে বাস চলতে পারে যে কোনও জায়গায় যাতায়াতে ছাড় মিলবে স্বাস্থ্যকর্মীদের। পণ্য পরিবহণেও থাকবে ছাড়।
গত সপ্তাহে যখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন, তখনই পশ্চিমবঙ্গ-সহ অন্য বেশ কিছু রাজ্যের তরফে যুক্তি ছিল, বাস্তব পরিস্থিতির ভিত্তিতে কোন জেলায় কী অবস্থা রয়েছে তা স্থানীয় প্রশাসন এবং রাজ্যগুলির পক্ষে বুঝে সেই অনুযায়ী জোন নির্ধারণ করা অনেক সহজ৷ ফলে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলা করতেও রাজ্যগুলির সুবিধে হবে বলেই দাবি করেছিল রাজ্যগুলি৷
সেই দাবি মেনেই চতুর্থ দফার লকডাউনে রাজ্যগুলির হাতে আরও বেশি ক্ষমতা দিল কেন্দ্রীয় সরকার৷ রবিবার রাতে জারি হওয়া কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশিকা অনুযায়ী, কোন জেলাকে কোন জোনের আওতায় রাখা হবে, সংশ্লিষ্ট রাজ্যের সরকারই তা ঠিক করতে পারবে৷ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির ক্ষেত্রেও তা ঠিক করবে স্থানীয় প্রশাসন৷ রাজ্যগুলির মুখ্যসচিবদের এ বিষয়ে চিঠিও দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব অজয় ভাল্লা।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এতদিন পর্যন্ত কোন জেলাকে রেড, অরেঞ্জ বা গ্রিন জোনে রাখা হবে, তা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকই ঠিক করছিল৷ এবার শুধু জোন নির্ধারণ নয়, কন্টেনমেন্ট জোন বাদে পরিবহণ ব্যবস্থা চলাচল শুরু করার ক্ষেত্রেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা সংশ্লিষ্ট রাজ্য এবং কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলগুলির উপরেই ছাড়া হয়েছে৷