
শেষ আপডেট: 30 August 2023 10:51
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ৮২ না ৮৩! টেটের পাশ মার্ক (TET Exam) সংক্রান্ত মামলার রায় দিতে গিয়ে সামনে এসেছিল দুই বিচারপতির মতান্তর। মামলা গড়িয়েছিল তৃতীয় বেঞ্চে। বুধবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চ ওই মামলার শুনানিতে ফের উঠে এল চাকরিপ্রার্থী ববিতা সরকারের প্রসঙ্গ!
উদাহরণ দিয়ে আইনজীবী বলেন, প্রাক্তন মন্ত্রী পরেশ কন্যা অঙ্কিতার জায়গায় আদালতের নির্দেশে চাকরি পেয়েছিলেন ববিতা। তারপর সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর অ্যাকাডেমিক স্কোর ও মেরিট লিস্ট ভাইরাল হয়। এসএসসি-র মেরিট লিস্টে ববিতার প্রাপ্ত নম্বর ছিল ৭৭। লিখিত পরীক্ষায় ৩৬, অ্যাকাডেমিক স্কোর ৩৩, মৌখিক পরীক্ষায় ৮, সব মিলিয়ে ববিতার প্রাপ্ত নম্বর ৭৭।
কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় ববিতার আবেদনের ফর্মে দেখা যায়, স্নাতক স্তরে ৮০০-র মধ্যে ৪৪০ নম্বর পেয়েছেন তিনি। সেক্ষেত্রে তাঁকে অ্যাকাডেমিক স্কোরে ২ নম্বর বেশি দেওয়া হয়েছে। পরে অবশ্য তাঁর বদলে তাঁর চাকরির দাবিদার অনামিকা রায়। বিচারপতি অবশ্য এদিনের শুনানিতে স্পষ্ট বলে দেন, “দুটো বিষয় সম্পূর্ণ আলাদা।”
প্রসঙ্গত, টেটের পাশ মার্ক সংক্রান্ত একটি মামলায় বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছিলেন, প্রার্থী ৮২ পেলেই তাঁকে টেট পরীক্ষায় সফল বলে ধরা হবে। তিনি সেক্ষেত্রে এলাহাবাদ হাইকোর্টের নির্দেশ ও এনসিটিই-র রিপোর্ট উল্লেখ করে এই রায় দেন। বোর্ড সেই সিদ্বান্ত মেনে নেয়। শুরু হয় ইন্টারভিউ।
সেই সময় আবার বেশ কয়েকজন চাকরিপ্রার্থী কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। তাঁদের দাবি, ৮২ পেলে পাস করানো যাবে না। পাশের ধার্য মার্কস ৮৩ ধরা হোক। এদিকে, আবার ৮২ পেয়েছেন এমন ১০ হাজার চাকরিপ্রার্থীকে টেটে সফল হিসাবে ইন্টারভিউও দেন। তার মধ্যেই এই মামলা। যা ডিভিশন বেঞ্চে অমীমাংসিত থেকে যায়। মামলা যায় তৃতীয় বেঞ্চে।বুধবার ওই মামলার শুনানি শেষ হয়েছে।
আরও পড়ুন: আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে মুর্শিদাবাদে জোর করে জমি অধিগ্রহণের অভিযোগ, হলফনামা তলব হাইকোর্টের