
শেষ আপডেট: 16 May 2023 04:57
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলায় যখন বিজেপির ব ছিল না সেই সময়ে রাজ্য সভাপতি ছিলেন তথাগত রায় (Tathagata Roy)। তিনি গেরুয়া শিবিরের আদি লোক। সেই তথাগত রায় একুশে বাংলায় বিজেপির ভরাডুবির পর গর্জে উঠেছিলেন দলের নেতাদের বিরুদ্ধে। কর্নাটকে গেরুয়া শিবিরের ডবল ইঞ্জিন শোচনীয়ভাবে লাইনচ্যুত হওয়ার পর (Karnataka Elction Defeat) তথাগত ফের বিস্ফোরণ ঘটালেন। তাঁর বক্তব্য, বাংলার মতোই ভুল করে কর্নাটকে ডুবেছে বিজেপি।
একুশের ভোটের আগে তৃণমূল-সহ অন্যান্য দল থেকে নেতাদের বিজেপিতে যোগ দেওয়ার হিড়িক লেগেছিল। হেস্টিংসের পার্টি অফিসে রোজ যোগদান হতো। ভোটের আগে তাকে শিশুসুলভ চপলতা বলেছিলেন তথাগত। ভোটের পর যা যা বলেছিলেন সে তো ইতিহাস হয়ে রয়েছ।
কর্নাটকে বিজেপির হারের পর তথাগত রায় বলেন, বাংলার মতোই ভুল হয়েছে কর্নাটকে। দলবদলুদের দেদার টিকিট দিয়ে দেওয়া, পুরনোদের চেয়ে সদ্য আসাদের তোয়াজ করাকে বিঁধেছেন তিনি।
তথাগত রায়ের আরও বক্তব্য, যেভাবে ইয়েদুরাপ্পাকে কোণঠাসা করার জন্য মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে সরিয়ে দিয়ে আনকোরা বাসবরাজ বোম্মাইকে কুর্সিতে বসানো হয়েছিল তাতেও দলের ক্ষতি হয়েছে। তাঁর ব্যাখ্যা সর্বভারতীয় সংগঠন সাধারণ সম্পাদক বিএল সন্তোষের সঙ্গে ইয়েদুরাপ্পার বনিবনা ছিল না বলেই মুখ্যমন্ত্রী বদল করা হয়েছিল। ফলে ভোটের খাতায় দেখা গেল ইয়েদুরাপ্পার সঙ্গে থাকা লিঙ্গায়েত ভোট কংগ্রেসের দিকে চলে গিয়েছে।
বাংলার প্রবীণ এই বিজেপি নেতার বক্তব্য, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের দুর্বলতার কারণেই বাংলার পর কর্নাটকে দলের এই অবস্থা হল। তথাগতবাবুর স্পষ্ট বক্তব্য, যে রাজ্যে ভোট হচ্ছে সেখানকার বাস্তব পরিস্থিতি কেন্দ্রীয় নেতারা বুঝছেন না। ফলে স্লোগান, বক্তব্য, প্রচারের অভিমুখ ঘেঁটে যাচ্ছে। যেমন বাংলায় হারের পিছনে বিজেপির হিন্দি আগ্রাসনকে দায়ী করেছিলেন তথাগত।
তাঁর এই বক্তব্য নিয়ে রাহুল সিনহা বলেছেন, "অনেকেই অনেক কিছু বলতে পারেন। তাতে কিছু যায় আসে না। বাংলায় তৃণমূলকে সরাতে বিজেপিই লড়ছে। তা করেও দেখাবে।"
মোদীময় প্রচারে লাগাম, কর্নাটকের হারে রণনীতিতে আরও কী বদল আনছে বিজেপি