দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিজেপির মিছিল শুরুর দু'ঘণ্টা আগে থেকেই ভিড় জমতে শুরু করেছিল কাঁথিতে। মিছিল শুরুর নির্ধারিত সময় ছিল দুপুর দুটো। কিন্তু দেড়টার মধ্যেই কাঁথি-মেচেদা বাইপাসের রূপশ্রী মোড় কার্যত লোকে লোকারণ্য।
ব্যান্ডপার্টি, তাসা, হুড খোলা জিপ মায় উত্সবের মেজাজ কাঁথিতে। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর নিজের ঘরের মাঠে এটাই প্রথম কর্মসূচি শুভেন্দু অধিকারীর।
কাঁথি-মেচেদা রুপশ্রী বাইপাস মোড় থেকে মিছিল শুরু হয়ে পাঁচ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করবে। তারপর কাঁথি সেন্ট্রাল বাসস্ট্যান্ডের কাছে মিছিল শেষে সভা হবে। সেখানে বক্তৃতা করবেন শুভেন্দু।
গত কালই কাঁথিতে তৃণমূলের মিছিল ও সভা ছিল। সৌগত রায়, ফিরহাদ হাকিমরা শুভেন্দুকে মীরজাফর, জগৎ শেঠের সঙ্গে তুলনা করে এসেছেন। শুধু তাই নয়, সৌগত রায় বলেছিলেন, কাঁথির ইতিহাসে এত বড় মিছিল এর আগে হয়নি। দমদমের সাংসদ এও বলেছিলেন, তৃণমূলের এই মিছিল প্রমাণ করে দিল, কাঁথি কোনও পরিবারের জমিদারি নয়।
পরোক্ষে নন্দীগ্রাম আন্দোলনে শুভেন্দুর কোনও ভূমিকা ছিল না বলেও আক্রমণ করেন সৌগত। বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় না থাকলে নন্দীগ্রাম জাতীয় স্তরে উন্নীত হত না। তিনি আরও বলেন, আবু সুফিয়ানরা স্থানীয় স্তরে আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। কোনও সরস্বতীর বরপুত্র সুন্দর চেহারা নিয়ে সেই আন্দোলন করেননি।
এদিনের সভা থেকে শুভেন্দু তৃণমূলকে কী জবাব দেন, এখন সেদিকেই সবার নজর।
বিজেপিতে যোগদানের পর এখনও পর্যন্ত একটি জনসভা করেছেন শুভেন্দু। সেটা পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীতে। তৃণমূল নেতারা যখন তাঁকে বিশ্বাসঘাতক বলছেন তখন তিনি বলেছিলেন, তৃণমূল তৈরির পর যদি অটল বিহারী বাজপেয়ীর মতো বিজেপি নেতারা রাজনৈতিক আশ্রয় না দিতেন তাহলে তৃণমূল পার্টিটা উঠে যেত। এদিনের বক্তৃতায় তিনি কতটা আগ্রাসী হন এখন সেটাই দেখার।