Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনের

বাংলার ভাষাগত সংখ্যালঘুদের লড়াইয়ের ডাক দিলেন শুভেন্দু, চিঠি লিখলেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পশ্চিমবঙ্গে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় ভাষার দু'টি পত্র থেকে হিন্দি, উর্দু ও সাঁওতালি ভাষা সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। প্রথম ভাষার মধ্যে রয়েছে শুধু বাংলা ও নেপালি। এবং দ্বিতীয় ভাষা ইংরাজি। এবার এই নিয়েই সরকারের

বাংলার ভাষাগত সংখ্যালঘুদের লড়াইয়ের ডাক দিলেন শুভেন্দু, চিঠি লিখলেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি

শেষ আপডেট: 6 June 2023 17:01

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পশ্চিমবঙ্গে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় ভাষার দু'টি পত্র থেকে হিন্দি, উর্দু ও সাঁওতালি ভাষা সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। প্রথম ভাষার মধ্যে রয়েছে শুধু বাংলা ও নেপালি। এবং দ্বিতীয় ভাষা ইংরাজি। এবার এই নিয়েই সরকারের উদ্দেশে তোপ দাগলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গ ভাষাগত সংখ্যালঘু সমিতির ডাকা একটি সভায় যোগদান করেছিলেন শুভেন্দু। যে সমিতির চেয়ারম্যান আসানসোলের প্রাক্তন মেয়র জিতেন্দ্র তিওয়ারি। সেখানে দাঁড়িয়ে রীতিমতো লড়াই করে নিজেদের হক ছিনিয়ে নেওয়ার ডাক দেন নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক। বিষয়টি বিধানসভায় উত্থাপন করবেন বলেও জানান বিরোধী দলনেতা।

এদিন শুভেন্দু বলেন, 'বিরোধী দলনেতা হিসাবে রাজ্য সরকারকে আমি অনুরোধ করব ১৫ মার্চ ২০২৩ এর বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার করুন এবং পুরনো ব্যবস্থা ফেরান। এভাবে রাতারাতি পুরনো ব্যবস্থা বদল করার কোনও দরকার নেই। এই বিজ্ঞপ্তির ফলে হিন্দি, সাঁওতালি, উর্দু ভাষাভাষীর মানুষ গভীরভাবে প্রভাবিত হবে। বাংলার ডব্লিউবিসিএস ক্যাডারে এদের আর কোনও সুযোগ থাকবে না। বিধানসভার অধিবেশন শুরু হলে আমরা এই ইস্যুটি জোরদারভাবে উত্থাপন করব।'

এদিকে এই নিয়ে চিঠি লিখেছেন জিতেন্দ্র তিওয়ারিও। গোটা বিজ্ঞপ্তিটি জানিয়ে তিনি শেষে লেখেন, 'এই নিয়ম ২০২৪ সাল থেকে কার্যকর হবে। এটি কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজ্য সরকার পরিচালিত হিন্দি, উর্দু এবং সাঁওতালি মাধ্যম স্কুলে অধ্যয়নরত প্রার্থীরা বাংলা পত্র লিখতে করতে পারবেন না। এমনকী বাংলাভাষী বহু পড়ুয়াদেরও সমস্যা হবে, যারা সিবিএসই, আইসিএসই বোর্ডে পড়াশোনা করেছেন এবং প্রথম পত্র ইংরাজি এবং দ্বিতীয় পত্র হিসাবে হিন্দিকে বেছে নিয়েছেন। এর ফলে রাজ্যের তরুণ প্রজন্মের একাংশের ভবিষ্যৎ সম্পূর্ণ অন্ধকার হয়ে যাবে এবং রাষ্ট্রও সেই অ-বাংলাভাষী মেধাবীদের কাজ থেকে বঞ্চিত হবে।'

এই সমস্যার সমাধানের উপায়ও উল্লেখ করেছেন তিনি। জিতেন্দ্র আরও লেখেন, 'এই সমস্যা সমাধানের একমাত্র উপায় হল রাজ্য সরকার পরিচালিত সমস্ত অ-বাংলা মাধ্যম স্কুলে পঞ্চম থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত বাংলা বাধ্যতামূলক বিষয় হিসেবে পড়ানো হোক। যতদিন না সব ভাষা মাধ্যম স্কুলের ছেলেমেয়েরা স্নাতক শেষ করে, ততদিন এই নিয়ম জারি করা থেকে যেন বিরত থাকে এই সরকার। পশ্চিমবঙ্গে বসবাসকারী সবাই বাংলা ভাষা ভালবাসে। তাই এই ভাষা শেখা উচিত সবারই। সামাজিকভাবে বাধ্যতামূলকও বটে।'


```