
শেষ আপডেট: 15 July 2023 11:26
দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রাথমিকের (primary recruitment scam) ৩২ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। শুক্রবার সুপ্রিম কোর্ট (supreme court) জানিয়ে দেয়, এই ব্যাপারে নতুন করে মামলার শুনানি হবে কলকাতা হাইকোর্টে (high court)।
গত ১২ মে এক নির্দেশে ৩৬ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। যদিও পরে সেই সংখ্যাটা পাল্টে যায়। বিচারপতি তাঁর নির্দেশ পুনর্বিবেচনা করে জানান, ৩৬ হাজার নয়, ৩২ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিল হচ্ছে। শুধু তাই নয়, বিচারপতি আরও জানান, তিন মাসের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে এই শূন্যপদে যথাযথ প্রক্রিয়া মেনে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। বিচারপতির নির্দেশে বাংলার রাজনীতি ও সমাজজীবন আন্দোলিত হয়েছিল।
চাকরিহারারা বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হন। সেই মামলায় বিচারপতি সুব্রত তালুকদারের ডিভিশন বেঞ্চ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশ কিছুটা পরিবর্তন করে। জানায়, এখনই চাকরি যাবে না ৩২ হাজার শিক্ষকের। কিন্তু পর্ষদকে নতুন করে নিয়োগপ্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। তবে সেই নিয়োগপ্রক্রিয়ায় অংশ নিতে হবে ওই ৩২ হাজার শিক্ষককে।
ডিভিশন বেঞ্চের রায়ের পরই সুপ্রিম কোর্টে যান চাকরিহারা শিক্ষকদের একাংশ এবং প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি জেকে মাহেশ্বরী এবং বিচারপতি কেভি বিশ্বনাথনের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি শুরু হয়। শুক্রবার বিচারপতি মাহেশ্বরীর ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, ৩২ হাজার শিক্ষকের চাকরি যাবে কিনা তা নির্ভর করবে হাইকোর্টের রায়ের ওপরই।
সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশের পরই টুইট করেন তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। তিনি সংবাদমাধ্যমের একাংশের এই বিষয়ে 'নীরবতা' নিয়ে কটাক্ষ করেন।
নওসাদের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাসের অভিযোগ! আগাম জামিনের আবেদন হাইকোর্টে