
শেষ আপডেট: 5 August 2023 15:28
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সাড়ে তিন দশক পর শনিবার ব্রিগেডে সমাবেশ করল এসইউসিআই (SUCI)। দলের প্রতিষ্ঠাতা শিবদাস ঘোষের জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষ্যেই এই সমাবেশের আয়োজন করেছিল। বিজেপি, কংগ্রেস কিংবা রাজ্যের ক্ষমতাসীন তৃণমূল সরকারকে আক্রমণ করলেও এদিন আগাগোড়া নেতৃত্বের নিশানায় ছিল রাজ্যের প্রাক্তন শাসক সিপিএম।
বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। সর্বভারতীয়স্তরে বিজেপিকে ঠেকাতে কংগ্রেস, তৃণমূল, সিপিএম সহ ২৬টি দল মিলে গড়েছে ইন্ডিয়া জোট। প্রভাসবাবুর দাবি, “ভোটের জন্য কংগ্রেসের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে সিপিএম। এমন একটি জোটে গিয়েছে যেখানে তৃণমূল কংগ্রেসও রয়েছে!”
এই প্রসঙ্গেই ‘সিপিএম, সিপিআই” এর ভূমিকা সম্পূর্ণ ‘মার্কসবাদ বিরোধী’ বলে দাবি করে প্রভাসবাবুর খোঁচা, “না খেয়ে দিনের পর দিন থেকেছি। কিন্তু আমাদের কেনা যায়নি। আমরা কখনও বিবেক বিক্রি করিনি।” বামপন্থী দল হওয়া সত্ত্বেও ভরা বাম জমানায় সিপিএমের পাশাপাশি বামফ্রন্টের শরিক আরএসপি, ফরওয়ার্ড ব্লক সেদিন তাঁদের সঙ্গে কেমন আচরণ করত মনে করিয়ে প্রভাসবাবু বলেন, “তখন ফরওয়ার্ড ব্লক, আরএসপি আমাদের সঙ্গে বসত না। আমাদের সঙ্গে নাকি বসাই যায় না। খাদ্য, আশ্রয় জোটেনি তখন। কিন্তু আমরা আপোষ করিনি। এই পার্টি কোনও সরকারের জোরে নয়, কোনও এমএলএ-এমপির জোরে নয় মানুষের সমর্থনে এগিয়ে চলেছে।” সিপিএম নেতারা লেনিনের শিক্ষাকে গুরুত্ব দেন না বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।
পাল্টা প্রতিক্রিয়া ধেয়ে এসেছে সিপিএম শিবির থেকে। সিপিএমের কেন্দ্রীয় নেতা সুজন চক্রবর্তী কটাক্ষের সুরে বলেন, “ওরা সর্বভারতীয় পার্টি। ওদের নিশানায় বিজেপি ও কংগ্রেস থাকা উচিত ছিল। তবু আমাদেরকেই হয়তো বেশি প্রাসঙ্গিক মনে করছে তাই হয়তো আক্রমণ করেছে!” সুজনের আরও অভিযোগ, ২০১১ সালে তৃণমূলের সাহায্য নিয়েই ভোট জিতেছিল এসইউসিআই। এসইউসিআইয়ের এদিনের সমাবেশে ভিড় ছিল বেশ চোখে পড়ার মতোই। বিভিন্ন রাজ্য থেকে এসেছিলেন দলের কর্মকর্তারা। কেরল, তামিলনাড়ু থেকেও আসতে দেখা যায় একাধিক নেতাকে।
আরও পড়ুন: সামনেই উৎসবের মরশুম, বেআইনি বাজির কারবার বন্ধে প্রশাসনকে কড়া বার্তা নবান্নের