দ্য ওয়াল ব্যুরো: তৃণমূলের অন্যতম দাপুটে ও জনপ্রিয় নেতা শুভেন্দু অধিকারী শনিবার বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। তাঁর সঙ্গে গেরুয়া শিবিরে শামিল হয়েছেন নজন (ছয় তৃণমূলের) বিধায়ক, এক সাংসদ। তারপর যখন অনেকেই বলছেন, তৃণমূল আরও ভাঙবে তখন শাসকদলের বর্ষীয়ান নেতা তথা রাজ্যের প্রবীণ মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায় সাফ জানিয়ে দিলেন শুভেন্দু যাওয়ায় তৃণমূলের মত এত বিরাট দলের কিচ্ছু যাবে আসবে না।
তাঁর কথায়, "বিজেপি শুভেন্দু অধিকারীকে দলে নিয়ে ভাবছে, বাংলা দখল হয়ে গেছে। এমন হাবভাব যেন ২৫০ আসন জিতে গেছে। ভাগ্যিস বলেনি, ৩০০ আসন পাবে।" তিনি আরও বলেন, "শুভেন্দু অধিকারীর দলবদলে তৃণমূলের মতো বড় রাজনৈতিক দলের কিছু এসে যায় না। আমাদের নেত্রীর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর উপরে বাংলার মানুষ ভরসা করে। তাতেই আমরা নিশ্চিত, ক্ষমতায় থাকব।’’
এদিন তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক বৈঠক করে অমিত শাহের গতকালের বক্তৃতার জবাব দেন সুব্রতবাবু। তিনি বলেন, "অমিত শাহ মেদিনীপুরে দাঁড়িয়ে মিথ্যের পর মিথ্যে বলে গিয়েছেন।"
গতকাল অমিত শাহ বলেছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও কংগ্রেস ভেঙেছিলেন। তখন সেটা দলত্যাগ ছিল না? এদিন সুব্রত মুখোপাধ্যায় বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেস ছেড়ে বেরিয়ে এসে নতুন দল তৈরি করেছিলেন। অন্য কোনও রাজনৈতিক দলে যোগ দেননি।
তা ছাড়া সুব্রত মুখোপাধ্যায় আরও বলেন, আয়ুষ্মান ভারত, কৃষক সম্মান নিধি নিয়ে একের পর এক মিথ্যে বলেছেন শাহ। তাঁর দাবি, "আয়ুষ্মান প্রকল্পের দু'বছর আগে বাংলায় স্বাস্থ্য সাথী শুরু হয়ে গেছিল। রাজ্য সরকার কৃষক বন্ধু প্রকল্প শুরু করেছে।"
অমিত শাহ বিজেপি কর্মীদের হত্যার যে অভিযোগ তুলেছিলেন সে ব্যাপারে সুব্রতবাবু বলেন, "মিথ্যে বলছেন অমিত শাহ, বিজেপির বেশির ভাগ কর্মী খুন হয়েছেন গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে। বরং এই সময়কালে বিজেপির হাতে তৃণমূলের ১২৭ জন কর্মী খুন হয়েছেন। এ কথা তিনি বলেননি।’’