
শেষ আপডেট: 30 November 2020 14:19
শিশির অধিকারী, সৌগত রায়দের সমস্যা হয়নি এমনিতেই ধুতি পাঞ্জাবি পরেন। কিন্তু মুকুল রায়, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, সুলতান আহমেদ, চৌধুরী মোহন জাটুয়াদের সে বালাই ছিল না। ফলে শেষ মুহূর্তে কলকাতা থেকে তড়িঘড়ি ধুতি পাঞ্জাবি আনিয়ে তার পরই শপথ নিতে যান।
তবে শুধু ওই দিনই। তার পর থেকে সুদীপবাবু বা দীনেশ ত্রিবেদীদের ধুতি পাঞ্জাবিতে বিশেষ দেখা যায়নি। রাজ্য মন্ত্রিসভাতেও সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের মতো প্রবীণ কয়েক জন ছাড়া ধুতি কেউ পরেন না। তবে হ্যাঁ একদা পাশ্চাত্য পোশাকে অভ্যস্ত হলেও অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র নিয়ম করেই ধুতি পরেন।
এখন কথা হল, ধুতি নিয়েও কেন আলোচনা হচ্ছে!
পর্যবেক্ষকদের অনেকে বলছেন, কারণ ইদানীং রাজ্য রাজনীতি বাংলা, বাঙালি, বাঙালিয়ানা, বহিরাগত বিতর্ক মজে রয়েছে। এ ব্যাপারে চুলচেরা বিচার চলছে। কে বাংলায় থেকেও বাঙালি নন, কে অবাঙালি হলেও বাঙালি সে সব নিয়ে আলোচনা চলছে। তার মধ্যে যদি একজন তরুণ নেতাকে প্রায়ই ধুতি পাঞ্জাবি পরতে দেখা যায় কথা তো হবেই। আর যাই হোক তাঁকে বহিরাগতও বলা যাবে না, অবাঙালিও না। এতো খাঁটি বাঙালি!