
শেষ আপডেট: 29 April 2023 18:34
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ধান বিক্রিতে অনিয়ম রুখতে এর আগে একাধিক পদক্ষেপ করেছে রাজ্য সরকার। এবার আরও স্বচ্ছতা আনতে ধান বিক্রিতে বায়োমেট্রিক (biometric) পদ্ধতি চালু করছে খাদ্য দফতর। উদ্দেশ্য একটাই চাষিরা (farmer) যাতে কোনওভাবে বঞ্চিত না হয়।
প্রসঙ্গত, ধান বিক্রিতে স্বচ্ছতা আনতে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়ার পরও বেশ কিছু অভিযোগ আসছিল।
কী ধরণের অভিযোগ-
এক, একাধিক অ্যাকাউন্টে ধান বিক্রির টাকা ঢুকেছে কিন্তু দেখা যাচ্ছে একই ব্যক্তির নামেই ওই একাধিক অ্যাকাউন্ট।
দুই, একাধিক ব্যক্তি কিন্তু ধান বিক্রির টাকা ঢুকেছে একই অ্যাকাউন্টে। যা থেকে পরিষ্কার ধান বিক্রিতে অনিয়ম পুরোপুরি বন্ধ করা যায়নি। অর্থাৎ জালিয়াতি করে এই অনিয়ম চলছে। যদিও দফতরের দাবি এই সংখ্যাটা খুবই কম। কিন্তু খাদ্য দফতর চাইছে এই জালিয়াতি পুরোপুরি বন্ধ করতে। তার কারণ যেমন স্বচ্ছতা আনা, তেমনি যেভাবে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ১০০ দিনের টাকা ও আবাসের টাকা আটকে রেখেছে কেন্দ্র, তেমনি প্রকিউরমেন্টের বিষয়ে অনিয়মের অভিযোগ এনে যাতে কেন্দ্র টাকা বন্ধ না করতে পারে, তার জন্যই এই পদক্ষেপ। উল্লেখ্য প্রকিউরমেন্টের বড় অঙ্কের টাকা কেন্দ্রের থেকে পায় রাজ্যগুলি।
সবমিলিয়ে, ধান বিক্রি প্রক্রিয়ায় জালিয়াতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই মুর্শিদাবাদ, জলপাইগুড়ি সহ বেশ কয়েকটি জেলায় মনিটারিং টিম পাঠিয়েছে খাদ্য দফতর। ওই টিম খতিয়ে দেখছে এমন ধরনের কত অ্যাকাউন্ট রয়েছে। সেই মোতাবেক আগামীদিনে ওই অ্যাকাউন্টগুলো বাতিল করে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে দফতর।
এখানে বলে রাখা ভাল এবার প্রকিউরমেন্ট হয়েছে প্রায় ৪৭ লাখ টন ধান, গত বছরের তুলনায় ২ লাখ টন বেশি, যা খাদ্য দফতরের সফলতা বলেই মনে করছে নবান্ন। তবে এই সফলতার মধ্যে যাতে ধান বিক্রিকে কেন্দ্র করে জালিয়াতি না হয় তারজন্য এবার বায়োমেট্রিক পদ্ধতি চালু করছে খাদ্য দফতর।এই পদ্ধতি চালু হলে চাষিদের আঙুলের ছাপ দিয়েই ধান বিক্রিতে অংশ নিতে পারবেন ফলে জালিয়াতি হওয়ার চান্স থাকবে না। এ বিষয়ে খাদ্য দফতরের এক আধিকারিক জানান, আমাদের লক্ষ্য দফতরে স্বচ্ছতা আনা। তাই আমরাই ইতিমধ্যেই বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে ধান বিক্রির প্রক্রিয়া ট্রায়াল রান শুরু করে দিয়েছি। আগামীদিনে এই পদ্ধতি আরও বাড়ানো হবে।
মজিদ মাস্টারের শাসনে ১২ বছর পর পার্টি অফিসের তালা খুলল সিপিএম, যোগ দিল চারশ তৃণমূল কর্মী