
শেষ আপডেট: 28 August 2018 18:20
জেলা পুলিশের কর্তারা জানাচ্ছেন, শুধু দিনহাটা মহকুমা এবং সিতাইয়ে আমদানি হয়েছে বেশ কিছু অত্যাধুনিক এবং স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র। যে সব অস্ত্র মূলত উত্তর-পূর্বের জঙ্গি সংগঠনগুলির কাছে আগে দেখা যেত। সূত্রের খবর, সে ঘটনা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কানেও পৌঁছেছে। এবং তাঁর নির্দেশেই শুরু হয়েছে তল্লাশি অভিযান। জেলার এক পুলিশ কর্তা জানিয়েছেন, নবান্নের পরিষ্কার নির্দেশ স্থানীয় কোনও নেতা বা মন্ত্রীর কথা না শুনে যেন শক্ত হাতে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা হয়।
তার পরই একের পর এক অভিযানে সম্প্রতি উদ্ধার হয়েছে প্রচুর পরিমাণে আগ্নেয়াস্ত্র এবং বোমা তৈরির সরঞ্জাম। সম্প্রতি জেলার এক তৃণমূল নেতার গাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে বেশ কিছু আগ্নেয়াস্ত্র। ওই ঘটনায় ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জেলা পুলিশের কর্তারা ছাড়াও ধৃতদের জেরা করে সিআইডি-র একটি বিশেষ তদন্তকারী দল। তদন্তে জানা গিয়েছে স্রেফ দিনহাটাতেই কয়েক হাজার আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে রাজনৈতিক আশ্রয়ে থাকা দুষ্কৃতীদের হাতে।
এ পর্যন্তও ঠিক ছিল। কিন্তু এ কে ৪৭ তথা কালাশনিকভ সিরিজের রাইফেলও যে রাজনৈতিক আশ্রয়ে থাকা দুষ্কৃতীদের হাতে রয়েছে, তা জেনেই উদ্বেগে পুলিশ কর্তারা। পুলিশ সূত্রে বলা হচ্ছে, শাসক দলের এক প্রভাবশালী নেতার এক অনুগামী তা আমদানি করেছে। সিতাই বা দিনহাটার মধ্যে কোথাও সে গা ঢাকা দিয়ে রয়েছে। কৌশলে পুলিশও তার গতিবিধির সীমা ক্রমশ কমিয়ে আনতে সক্রিয়।
এ ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে জেলার পুলিশ সুপার ভোলানাথ পাণ্ডে অবশ্য এ কে ৪৭ রাইফেলের প্রসঙ্গে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। তবে তিনি জানান, “সব রকম গতিবিধির উপর নজর রাখা হচ্ছে। পুলিশ ইতিমধ্যে প্রচুর অস্ত্র উদ্ধার করেছে। বেশ কিছু দুষ্কৃতী গ্রেফতারও হয়েছে। কাউকে রেয়াত করা হবে না।”