
শেষ আপডেট: 14 August 2020 12:22
সরকারি কর্তারা ঘটনাস্থলে এসেছেন এ কথা জানতে পেরেই সোয়াখালের আশেপাশের কয়েকটি গ্রাম থেকে শয়ে শয়ে মানুষ হাজির হন সেখানে। পুলিশ প্রশাসনের লোকেদের ঘিরে ধরে শুরু হয় বিক্ষোভ। পোলবা-দাদপুরের বিডিও সন্তু দাস বলেন, ‘‘জেলায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে যাঁরা মারা যাচ্ছেন তাঁদের সৎকারের জন্য এই এলাকাটিকেই চিহ্নিত করা হয়েছিল। তারপরেই এখানে দেহ সৎকারের সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। সেই অনুযায়ী বুধবার রাতে কোভিডে মৃত এক ব্যক্তির দেহ সৎকার করা হয়। এখন এলাকার মানুষ যখন আপত্তি জানাচ্ছেন তখন বিষয়টি অবশ্যই ভেবে দেখা হবে।’’
বিডিওর এই আশ্বাসের পরেও অবশ্য বিক্ষোভ জারি থাকে পরে বিশাল পুলিশবাহিনী ও কমব্যাট ফোর্স এলাকায় পৌঁছে বিক্ষোভকারীদের হটিয়ে দেয়।
কোভিডে মৃতের দেহ সৎকার করা নিয়ে প্রশাসনকে বেগ পেতে হচ্ছে রাজ্যের বহু জায়গাতেই। হুগলি জেলাতেই পরপর এমন কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে। কোভিড দেহ সৎকার নিয়ে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি থেকে গুজব ছড়াচ্ছে আর তা থেকেই বিক্ষোভ বাধার মুখে পরতে হচ্ছে প্রশাসনকে। মঙ্গলবারই আরামবাগের পল্লিশ্রী এলাকায় দ্বারকেশ্বর নদের পারে কালিপুর সেতুর নীচে কোভিডের দেহ সৎকারের জন্য শ্মশান তৈরি করতে গেলে বাধা দেন স্থানীয় মানুষজন। তুমুল বিক্ষোভ সামলাতে লাঠিচার্জ করতে হয় পুলিশকে। প্রবল উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। ঝামেলার জেরে কাজ বন্ধ হয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে এগারোজনকে আটক করে পুলিশ।
সোমবার সন্ধায় করোনায় মৃত একজনের দেহ কবর দিতে চুঁচুড়া কারবালায় নিয়ে যায় প্রশাসনের লোকজন। সেখানে স্থানীয়দের বাধার মুখে দেহ নিয়ে যাওয়া হয় ইমামবাড়া করব স্থানে। খবর পেয়ে ইমামবাড়া এলাকার বাসিন্দারা বিক্ষোভ শুরু করেন। গভীর রাত পর্যন্ত সেই অশান্তি চলে।