দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব বর্ধমান: অজয় নদ থেকে বালি চুরি নতুন কোনও ঘটনা নয়। এ নিয়ে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ চলেই। এবার খোদ শাসকদলের নেতা অভিযোগ করলেন, প্রকাশ্য দিবালোকে বালি লুঠ চলছে, রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছে সরকারের। তবু হেলদোল নেই প্রশাসনের। তাঁর দাবি, ইজারাদারকে অন্ধকারে রেখে পুলিশ-প্রশাসনের একাংশের মদতে আউশগ্রামের সাঁতলার অজয় ঘাটে বালি লুট হচ্ছে। আউশগ্রামের তৃণমূল নেতা শেখ আব্দুল লালনের এমন চাঞ্চল্যকর অভিযোগে শোরগোল পড়েছে। তিনি বর্তমানে আউশগ্রাম ২ নম্বর ব্লকের তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যকরী সভাপতিও।
জেলাশাসককের কাছে লিখিত অভিযোগও দায়ের করেছেন আউশগ্রামের অজয়ের বালি ঘাটের ইজারদার সেখ আব্দুল লালন। বালিঘাটের ইজারদার তথা তৃণমূল নেতা সেখ আব্দুল লালন বলেন, ‘‘আউশগ্রামের সাঁতলার অজয় নদে আমার একটি বৈধ বালিঘাট রয়েছে। করোনা কালে, সরকারি লকডাউনের বিধি মেনে আমি সেই ঘাট থেকে বালি তোলা বন্ধ রেখেছি। এদিকে প্রকাশ্য দিবালোকে প্রশাসনের নজরে সেই ঘাট থেকে একদল অসাধু ব্যবসায়ী বেআইনি ভাবে বালি লুট করছে।’’ একাধিক বার প্রশাসনকে জানালেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে তাঁর দাবি। তিনি জানান, এরফলে তিনি ভীষণ ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। সরকারেরও রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছে। আরও একবার অবৈধভাবে বালি তোলার বিষয়ে ছবি সহ পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসককের কাছে ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানিয়ে ই-মেলে অভিযোগ করেছেন।
সেই অভিযোগের প্রতিলিপি পাঠিয়েছেন জেলা ভূমি ও ভূমি সংস্কার আধিকারিক, বিএলআরও- আউশগ্রাম ২, আই সি আউশগ্রাম কাছেও। সেখ আব্দুল লালন বলেন, ‘‘এই ভাবে বালি লুট হলে যেমন আমার ক্ষতি হচ্ছে। তেমনই সরকারও বঞ্চিত হচ্ছে রাজস্ব থেকে।’’
এই বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে জেলাশাসক প্রিয়াংকা সিংলা বলেন, ‘‘খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে।’’