দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব বর্ধমান: পুলিশ মোতায়েন করে স্বাস্থ্যবিধি এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ভাতারে লালারস পরীক্ষার কাজ শুরু হল সোমবার থেকে।
দু’দিন আগে করোনা পরীক্ষার লালারস সংগ্রহের সময় ব্যাপক ভিড় হয়। প্রচুর মানুষ দূরত্ব না মেনে সোয়াব টেস্টের জন্য নমুনা জমা দেন। অভিযোগ ওঠে এরফলে সুস্থ ব্যক্তিদেরও কোভিড সংক্রমণের সম্ভাবনা বেড়ে যাচ্ছে। সেই খবর সংবাদমাধ্যমে সম্প্রচার হয়। এতে নড়েচড়ে বসেন ভাতার স্টেট জেনারেল হাসপাতালের কর্তৃপক্ষ। সোমবার কিন্তু নিয়ম মেনেই দূরত্ব বজায় রাখা হয়। প্রত্যেকের মুখে মাস্ক। পুলিশ আর সিভিক ভলেন্টিয়াররা লাইন নিয়ন্ত্রণ করেন।
গত কয়েকদিন ধরেই ভাতারে সোয়াব টেস্টের জন্য লম্বা লাইন পড়তে থাকে। শিকেয় ওঠে স্বাস্থ্যবিধি আর দূরত্ব রক্ষার নিয়ম। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পাশাপাশি জেলার সব স্বাস্থ্যকেন্দ্রেই লালারস সংগ্রহ চলছে। তবে ভাতারে নিয়ম ভাঙার অভিযোগ ওঠে। বিভিন্ন গ্রাম থেকে বহু মানুষ ভাতার স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নমুনা দিতে আসেন। গড়ে প্রতিদিন ১০০ জনের টেস্ট হচ্ছে এখানে। রীতিমতো গায়ে গায়ে দাঁড়িয়ে তারা নমুনা জমা দেন। ঘণ্টার পর ঘণ্টা এভাবে দাঁড়াতে হয় অনেককেই। লাইনে পুরুষ মহিলাদের সঙ্গে সামিল হয় শিশুরাও। আশঙ্কা ছড়িয়ে পড়ে এতে আরও বেশি মানুষ সংক্রমিত হতে পারেন।
এই বিষয়ে জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক প্রণবকুমার রায়কে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখবেন তিনি। অবশেষে সজাগ হল প্রশাসন। সোমবার থেকে সামাজিক দূরত্ব মেনেই লালারস সংগ্রহের কাজ শুরু হয়। সকাল থেকেই পুলিশ ও সিভিক ভলান্টিয়াররা লাইন নিয়ন্ত্রণ করেন। এতে আশ্বস্ত হন পরীক্ষার জন্য লালারসের নমুনা দিতে আসা সকলেই।