গোটা মুরগি ৫৫ টাকা, কাটা একশো, বিক্রি বাড়াতে ভাতার বাজারে সেল দিচ্ছেন ব্যবসায়ী
দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব বর্ধমান : মোটে ফাল্গুন। বলবে কে? এ যেন চৈত্র মাস! রীতিমতো শুরু হয়ে গেল সেল। তবে পোশাক বা বাহারি জিনিস নয়। সেল চলছে মুরগির মাংসের।
করোনা আতঙ্কে তলানিতে ঠেকেছে ব্যবসা। তাই মাথায় হাত। ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য এ বার সেল দিতে
শেষ আপডেট: 2 March 2020 05:46
দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব বর্ধমান : মোটে ফাল্গুন। বলবে কে? এ যেন চৈত্র মাস! রীতিমতো শুরু হয়ে গেল সেল। তবে পোশাক বা বাহারি জিনিস নয়। সেল চলছে মুরগির মাংসের।
করোনা আতঙ্কে তলানিতে ঠেকেছে ব্যবসা। তাই মাথায় হাত। ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য এ বার সেল দিতে শুরু করলেন ভাতারের মাংস ব্যবসায়ী। গোটা মুরগি ৫৫ টাকা কিলো আর কাটা মাংস কেজি প্রতি একশো টাকা। তবে এমন দামেও নাকি ক্রেতাদের দোকানে আনা সহজ হচ্ছে না।
ভাতার বাজারে মুরগির মাংসের সব থেকে বড় দোকান সুকান্ত দাসের। চারজন কর্মী রয়েছেন তাঁর দোকানে। তবু ক্রেতা সামলাতে হিমশিম খেতে হয়। কিন্তু করোনা আতঙ্ক থাবা বসানোর পর থেকেই নাকি দোকানে বড় একটা মাংস কিনতে আসছেন না কেউ। চারজন কর্মীর জায়গায় এখন হাতে কাজ থাকে মাত্র একজন কর্মীর। অবস্থা সামাল দিতে তাই সেল দিতে শুরু করেছেন তিনি। যদি দাম কমায় ক্রেতা আসে।

তিনি বলেন, “গত কয়েক বছরে এইভাবে কখনও নেমে যায়নি মুরগির দাম। এলাকায় গুজব ছড়িয়েছে করোনা ভাইরাসের। মুরগি বিক্রি কমে যাওয়ায় কোম্পানিও কম দামে মাংস বিক্রি করার অনুমতি দিয়েছে। কারণ মুরগির উৎপাদন একই আছে, কিন্তু বিক্রি নেই। এক একটি মুরগি সারাদিনে প্রচুর পরিমাণ খাবার খায়। এই ক্ষতি সামাল দেওয়া যাবে কীভাবে?”
তাই দোকানে পড়েছে সেলের পোস্টার। পাশাপাশি মাইক নিয়ে ক্রেতাদের ডাকাডাকি চলছে। তবে এখনও পর্যন্ত এতে বিশেষ লাভ হয়নি বলেই জানাচ্ছেন তিনি।
তাই তাঁকে দেখে বাজারের অন্য ব্যবসায়ী, যারা বিক্রি বাড়াতে মুরগির মাংসের সেল দেওয়ার কথা ভাবছিলেন, তাঁরাও এখন আর না এগিয়ে পরিস্থিতির উপর নজর রাখছেন।