শেষ আপডেট: 28 February 2020 09:54
চন্দননগরের পুলিশ কমিশনার হুমায়ুন কবীর বলেন, “দিল্লিতে যা ঘটেছে, এখানে তা কখনও ঘটবে না। কারণ এখানকার মানুষ অনেক বেশি সংবেদনশীল। তবুও চারপাশটা যে রকম স্পর্শকাতর হয়ে রয়েছে, সেখানে মানুষকে ভরসা দিতেই রুটমার্চ করল আধাসামরিক বাহিনী। সামনে দোল-রামনবমী। তাই সজাগ থাকছে পুলিশ।”
কমিশনারেটের যে সমস্ত এলাকা আগে কয়েকবার গোষ্ঠী সংঘর্ষের আগুনে তেতে ওঠে, সেই সমস্ত এলাকাতেই এ দিন রুট মার্চ করে আধাসামরিক বাহিনী। ডানকুনি, রিষড়া, শ্রীরামপুরের বেশ কয়েকটি এলাকায় চলে টহল।
হুমায়ুন কবির বলেন, “কোনওরকম সেনসিটিভ ঘটনা যাতে না ঘটে তার জন্য প্রস্তুত রয়েছে পুলিশ। আইন-শৃঙ্খলার কোনও অবনতি হবে না, হলে কড়া হাতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এক কোম্পানি আধাসেনা, পুলিশ, কমব্যাট ফোর্স ও র্যাফ চন্দননগর কমিশনারেটের সব থানা এলাকায় রুটমার্চ করবে।”
প্রসঙ্গত, শুধু হুগলি নয়, গত কয়েক বছরে একাধিক বার বিক্ষিপ্তভাবে গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে হাওড়া ও উত্তর চব্বিশ পরগণার কিছু এলাকায়। সূত্রের খবর, রাজ্য গোয়েন্দা দফতর ও স্থানীয় পুলিশ কর্তারা সেখানেও নজর রাখছেন। কোনওরকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতি যাতে তৈরি না হয়, জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সাধারণ মানুষ যাতে সদ্ভাবের সঙ্গেই থাকেন—সেই পরিবেশ কায়েম রাখাই প্রশাসনের লক্ষ্য।