দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব বর্ধমান: পঞ্চায়েতের লাগানো গাছ কাটতে বাধা দেওয়ায় পঞ্চায়েতের এক সদস্যাকে নিগ্রহ করার অভিযোগ উঠল ভাতার থানার সন্তোষপুর গ্রামে।
জাহানারা খাতুন নামে ওই নিগৃহীতা মহিলা নিত্যানন্দপুর পঞ্চায়েতের সদস্যা। সন্তোষপুর গ্রামের বাসিন্দা একটি পরিবারের পাঁচজনের বিরুদ্ধে ভাতার থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। তবে অভিযুক্তদের দাবি, কাউকে নিগ্রহ করা হয়নি। সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে।
সন্তোষপুর গ্রামের রাস্তার ধারে একটি বাবলা গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে এদিন ঝামেলার সূত্রপাত। গ্রামের একটি পরিবারের লোকজন তাদের জায়গার পাশে ওই বাবলা গাছটি কাটতে শুরু করেছিলেন। এই খবর পেয়ে ওই গ্রামের বাসিন্দা পঞ্চায়েত সদস্যা জাহানারা খাতুন সেখানে গিয়ে গাছটি কাটতে নিষেধ করেন। জাহানারা খাতুন বলেন, ‘‘গাছটি পঞ্চায়েতের লাগানো। তাই স্থানীয়রা খবর দেওয়ার পর আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে গাছটি কাটতে নিষেধ করি। যারা গাছটি কাটছিলেন তারা আমাকে অপমান করে। তারপর জোর করে গাছটি কাটার চেষ্টা করে। আমি বাধা দিলে আমাকে মারধর করা হয়।’’
অন্যদিকে অভিযুক্তদের মধ্যে মোল্লা আলাউদ্দিন বলেন, ‘‘যে জায়গাটির ওপরে গাছটি রয়েছে আমরা প্রায় ১৩ বছর আগে সেই জায়গাটি কিনেছি। গাছটি তখন থেকেই ছিল। পঞ্চায়েতের গাছ নয়। তাই আমরা কাটছিলাম। কিন্তু অযথা ওই সদস্যা ও তার সঙ্গে দু’একজন এসে ঝামেলা সৃষ্টি করে। তবে আমরা কাউকেই নিগ্রহ করিনি।’’
নিগৃহীতা পঞ্চায়ত সদস্যা ভাতার থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগ পাওয়ার পরই পুলিশ তদন্ত শুরু করে। তবে এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কেউ আটক বা গ্রেফতার হয়নি।