দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব বর্ধমান: অসময়ে সেচখালে জল। ডুবে গেল পাকা ধানের জমি। ধান কাটার মুখে চরম সমস্যায় ভাতারের চাষিরা।
খরিফ মরসুমের পাকা ধান জমি থেকে কাটার কাজ শুরু হয়েছে। কাটা ধান জমিতে ফেলে রাখা হয়েছে। এই সময় সেচখালের জল ধানজমি প্লাবিত করায় ভাতার ব্লকের আমারুন ১ নম্বর অঞ্চলের বেশ কয়েকটি এলাকার কৃষকদের মাথায় হাত পড়েছে। ভাতার ব্লকের আড়া, আমারুন প্রভৃতি এলাকার ধানের জমিতে জল দাঁড়িয়ে আছে।
এলাকার কৃষকরা জানান, বুধবার রাত থেকে ডিভিসি সেচখালে হঠাৎ হুহু করে জল বাড়তে শুরু করে। সেচখালের কিছু অংশে বাঁধ ভাঙা ছিল। ফলে জল ঢুকে পড়েছে জমিতে। এলাকার চাষি জহিরউদ্দিন বলেন, ‘‘এই অবস্থায় সেচখালের জলে পাকা ধানের প্রচুর ক্ষতি হয়ে গেল। এখন যা অবস্থা হয়ে গেল তাতে মাঠ শুকোতে একমাস লাগবে। তার আগে মাঠে ধান কাটার মেশিন নামানো যাবে না।’’
চাষি জসিম মোল্লা বলেন, ‘‘এবছর এমনিতেই পোকায় ধানের ব্যাপক ক্ষতি করেছে। জমিতে নাগাড়ে কীটনাশক প্রয়োগ করেও পোকা আটকানো যায়নি। এখন পাকাধানের জমিতে জল ঢুকে গেল। কী করব ভেবে পাচ্ছি না।’’
এই ঘটনায় ক্ষতিপূরণের দাবি তুলেছেন এই এলাকার কৃষকরা। ভাতার পঞ্চায়েত সমিতির কৃষি কর্মাধ্যক্ষ প্রদ্যুৎ পাল বলেন ‘‘ভাতারের একটা অংশের খুব ক্ষতি হয়েছে। পাকাধানের জমিতে ক্যানেলের জল ঢুকে গেছে। আমি নিজে এলাকা ঘুরে দেখেছি। ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য কি করা যায় দেখা হচ্ছে।’’