
শেষ আপডেট: 2 May 2020 16:09
দ্য ওয়াল ব্যুরো : আরও এক চিকিৎসকের করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ল উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। তারপরেই ২৬ জনকে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মীকে সেল্ফ আইসোলেশনে পাঠানো হয়েছে। উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ সংলগ্ন একটি ভবনেই রাখা হয়েছে তাঁদের। সংক্রমণ ধরা পড়ায় চক্ষু বিভাগের ওই প্রবীণ চিকিৎসকে ভর্তি করা হয়েছে মাটিগাড়া সংলগ্ন এলাকায় রাজ্য সরকারের করোনা হাসপাতলে। আক্রান্ত চিকিৎসকের বয়স ৬৩ বছর। অবসর নেওয়ার পরে তাঁকে স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে তাঁকে পুনর্নিয়োগ করা হয়েছে।
কলকাতায় ছিলেন ওই চিকিৎসক। গত ২৮ এপ্রিল কলকাতা থেকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে বেশ কিছু চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীকে নিয়ে আসা হয়েছে। চালক ছাড়া ওই বাসে ছিলেন মোট ২৭ জন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী ছিলেন। কলকাতা রেড জোন। তাই সেখান থেকে যাওয়ায় ওই ২৭ জন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মীর লালারসের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। তার মধ্যে চক্ষু বিভাগের এই চিকিৎসকের শরীরে করোনার সংক্রমণ পাওয়া গিয়েছে। রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরেই ওই চিকিৎসককে প্রথমে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে রাতেই তাঁকে হিমাঞ্চল বিহারের কোভিড-১৯ হাসপাতালে পাঠানো হয়। কোরোনা মোকাবিলায় উত্তরবঙ্গে নিযুক্ত ওএসডি ডা: সুশান্ত রায় বলেন, ‘‘আক্রান্ত ওই চিকিৎসক কোভিড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাঁর সংস্পর্শে আসা চিকিৎসকদের সেল্ফ আইসোলেশনে পাঠানো হয়েছে।’’
এ দিকে কেন দার্জিলিং ও কালিম্পং রেড জোনে? এই প্রশ্ন ঘুরছে পাহাড়ের সর্বত্র। কেন্দ্রের সংশোধিত তালিকায় এই দু’জেলাকেই রেড জোন বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। তারপরেই প্রশ্ন তুলেছেন পাহাড়ের মানুষ, গত ২১ দিনে করোনায় আক্রান্ত কারও হদিশ মেলেনি। তাহলে কেন রেড জোনে এই দুই জেলা?
মোর্চা নেতৃত্ব মনে করেন দার্জিলিং ও কালিম্পঙকে রোড জোন করার পিছনে রাজনীতি রয়েছে। বিনয় তামাঙও শনিবার বিষয়টি নিয়ে সরব হন। তিনি বলেন, ‘‘গত ২১ দিনে এই দুই জেলায় কোনও সংক্রমণ ছড়ায়নি। তাও কেন দুই জেলাকে রেড জোন বলে ঘোষণা করা হল তা স্পষ্ট নয়। এমন মহামারীর সময় এই রাজনীতি করা উচিৎ নয়। তবে কেন্দ্রের নির্দেশিকা মেনে চলতে হবে। পাহাড়ের মানুষের নিরাপত্তার কথা ভেবেই এটা মেনে চলতে হবে।’’