শেষ আপডেট: 28 February 2020 07:56
আলমগীর শেখের যখন ১২ বছর বয়স, তখন মারা যান তাঁর বাবা গোলাম শেখ। মা ও ভাইবোনের নিয়ে অচল হয়ে পড়া সংসারের চাকাটাকে সচল রাখতে দিল্লি চলে গিয়েছিল সে। কাজ নিয়েছিল জাফরাবাদের একটি ফ্যান তৈরির কারখানায়। সেখানে ফ্যানের কনডেন্সার তৈরির কাজে লাগানো হয়েছিল ১২ বছরের আলমগীরকে। আলমগীর এখন ২০। তাঁর হাত ধরে পরে সেই ফ্যান তৈরির কারখানায় কাজ নেয় ভাই শাহাবুলও। শুধু তাঁরাই নয়, নিউড়িপাড়ার বিভিন্ন ঘরের মোট ১৩ জন ছিলেন জাফরাবাদে। বিভিন্ন কারখানায় শ্রমিকের কাজ করতেন তাঁরা।
গোষ্ঠী সংঘর্ষে দিল্লি রক্তাক্ত হয়ে উঠতেই প্রাণের ভয়ে ঘুম ছুটেছিল তাঁদের। প্রতিটা মুহূর্তকে মনে হয়েছে শেষ না হওয়া এক একটি প্রহর। এদিকে ছেলেদের চিন্তায় রাতের ঘুম চলে গিয়েছিল নিউড়িপাড়াতেও। অবশেষে একাধিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের উদ্যোগে আটকে পড়া ১৩ জন বাঙালি শ্রমিকদের বুধবার রাতের কালকা মেলে তুলে দেওয়া হয়। সকালে হাওড়া পৌঁছোন তাঁরা। এরপরেই হাওড়া স্টেশন থেকে মুর্শিদাবাদ রওনা হন ওই শ্রমিকরা।