Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
TCS Scandal: যৌন হেনস্থা, ধর্মান্তরে চাপ! নাসিকের টিসিএসকাণ্ডে মালয়েশিয়া-যোগে আরও ঘনাল রহস্যক্যান্ডিডেটস জিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে গুকেশের মুখোমুখি সিন্দারভ, ড্র করেও খেতাবের লড়াইয়ে বৈশালীIPL 2026: চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে হেরে টেবিলের তলানিতে কেকেআর! গুরুতর বদলের ইঙ্গিত রাহানের নববর্ষের 'শুভনন্দন'-এও মুখ্যমন্ত্রীর SIR তোপ! বাংলায় পয়লা বৈশাখের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীরইরানের সব পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ করে‌ দেওয়া হয়েছে, দাবি আমেরিকার, চিন্তা ইরানি ল্যান্ডমাইনও Poila Baisakh: দক্ষিণেশ্বর থেকে কালীঘাট, নববর্ষে অগণিত ভক্তের ভিড়, পুজো দিতে লম্বা লাইনপয়লা বৈশাখেই কালবৈশাখীর দুর্যোগ! মাটি হতে পারে বেরনোর প্ল্যান, কোন কোন জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাসমেয়েকে শ্বাসরোধ করে মেরে আত্মঘাতী মহিলা! বেঙ্গালুরুর ফ্ল্যাটে জোড়া মৃত্যু ঘিরে ঘনীভূত রহস্য UCL: চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ চারে পিএসজি-আতলেতিকো, ছিটকে গেল বার্সা-লিভারপুল‘ইরানকে বিশ্বাস নেই’, যুদ্ধবিরতির মাঝে বিস্ফোরক জেডি ভ্যান্স! তবে কি ভেস্তে যাবে শান্তি আলোচনা?

প্রসব কমলেও প্রসূতি মৃত্যু বাড়ল বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে, তবে কমেছে শিশুমৃত্যু

দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব বর্ধমান: কোভিড পরিস্থিতিতে কমেছে প্রসবের সংখ্যা। তবুও গত বছরের এপ্রিল থেকে জুলাইয়ের তুলনায় এবার এই সময়ে  প্রসূতি মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ল বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। বিষয়টা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠলেও হাসপাতাল কর্

প্রসব কমলেও প্রসূতি মৃত্যু বাড়ল বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে, তবে কমেছে শিশুমৃত্যু

শেষ আপডেট: 2 September 2020 06:33

দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব বর্ধমান: কোভিড পরিস্থিতিতে কমেছে প্রসবের সংখ্যা। তবুও গত বছরের এপ্রিল থেকে জুলাইয়ের তুলনায় এবার এই সময়ে  প্রসূতি মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ল বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। বিষয়টা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অবশ্য প্রসূতি মৃত্যুর হার বৃদ্ধির এই ঘটনাকে গুরুত্ব দিতে রাজি নন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, প্রতি মাসে গড়ে ১৬৫০টির মতো প্রসব হয় এখানে। এই বছর এপ্রিল থেকে জুলাই এই চারমাসে প্রসবের সংখ্যা কমেছে অনেকটাই। প্রায় ৯০০র মতো প্রসব কম হলেও গত বছরের তুলনায় প্রসূতির মৃত্যুর সংখ্যা বেশি। গত বছর হাসপাতালে এপ্রিল থেকে জুলাই মাসে ১০ জন প্রসূতির মৃত্যু হয়েছিল। এবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬। হাসপাতালে প্রসূতি মৃত্যু নিয়ে মাঝে মধ্যেই চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ ওঠে। তবে, এবার প্রসূতি মৃত্যু বাড়লেও এধরণের অভিযোগ তেমন একটা ওঠেনি। হাসপাতালের সুপার ডাঃ প্রবীর সেনগুপ্ত বলেন, ‘‘বছরের হিসাব করলে প্রসূতি মৃত্যু কমেছে। করোনা পরিস্থিতিতে প্রথম দিকে কম সংখ্যক চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়ে হাসপাতালে যথাসাধ্য পরিষেবা দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি মৃত্যু নিয়ে স্বাস্থ্য ভবনে রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে।’’ প্রসূতির মৃত্যু বাড়লেও এই কোভিড পরিস্থিতিতে সুখবর, হাসপাতালে শিশু মৃত্যুর হার কমেছে অনেকটাই। গত বছর এপ্রিল থেকে জুলাই মাসে হাসপাতালে ৪৪৯টি শিশুর মৃত্যু হয়। এবছর ওই চার মাসে মারা গিয়েছে ৩২৮টি শিশু। শিশু মৃত্যুর এই হার গোটা রাজ্যের তুলনায় অর্ধেক বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই সময় পেডিয়াট্রিক ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট বা পিকুতে একটি শিশুও মারা যায়নি। এই সাফল্যের প্রশংসা মিলেছে এইমসের তরফেও। পরিদর্শনে এসে শিশু বিভাগের প্রশংসা করে গিয়েছেন এইমসের পরিদর্শকরা। হাসপাতালে শিশু মৃত্যুতে মাঝে মধ্যেই চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ ওঠে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। শিশু মৃত্যু্ নিয়ে চিকিৎসক নিগ্রহের ঘটনাও ঘটে। কয়েক বছর আগে এক দিনে ১২টি শিশুর মৃত্যু হয় হাসপাতালে। যা নিয়ে আলোড়ন পড়ে যায় রাজ্যে। এই হাসপাতালে শুধু পূর্ব বর্ধমান জেলা নয়, আশপাশের আরও চার-পাঁচটি জেলার এমনকি ঝাড়খণ্ড ও বিহার থেকেও শিশুদের আনা হয়। শিশু ওয়ার্ডে রোগীর সংখ্যা বেশিরভাগ সময়েই বেডের তুলনায় অনেক বেশি থাকে। কিন্তু লকডাউনের সময় হাসপাতালে শিশু রোগীর সংখ্যা অনেকটাই কমেছে। তাতে শিশুদের চিকিৎসা ও পরিচর্যা আরও ভালো হচ্ছে বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি। শিশু ওয়ার্ডের এক চিকিৎসকের মতে, রোগীর সংখ্যা কম হওয়ায় শিশুদের নজরদারি করতে সুবিধা হচ্ছে। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা চাপ মুক্ত অবস্থায় রোগীদের দেখতে পারছেন। ফলে শিশু মৃত্যু অনেকটাই কমে গিয়েছে। শিশু বিভাগের প্রধান ডাঃ অশোক দত্ত বলেন, ‘‘রাজ্যের গড়ের তুলনায় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে শিশু মৃত্যুর হার অর্ধেক। বিভাগের প্রশংসা করে গিয়েছেন এইমসের পরিদর্শকরা।’’

```