দ্য ওয়াল ব্যুরো, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ঘুড়ি ওড়ানোকে কেন্দ্র করে দুই পরিবারের বচসা। তার জেরে মারামারিতে গুরুতর জখম হলেন মা ও ছেলে। তাঁদের ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে ক্যানিং থানার অন্তর্গত তালদি গ্রাম পঞ্চায়েতের পূর্ব শিবনগর গ্রামে ঘটনাটি ঘটে।
স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে বৃহষ্পতিবার বাড়ি পাশেই ঘুড়ি ওড়াচ্ছিল রোহিত গায়েন নামে ১৩ বছরের এক বালক। ঘুড়িটি আচমকা এক প্রতিবেশির বাগানের গাছে আটকে যায়। ঘুড়িটি আনতে যায় রোহিত। কিন্তু ঘুড়ি না দিয়ে প্রতিবেশীদের কয়েকজন তা ছিঁড়ে নষ্ট করে দেয়। এই ঘটনায় দুই পরিবারের মধ্যে বচসা বেঁধে যায়। সাময়িক ভাবে ঝগড়া বন্ধ হলেও শুক্রবার সকাল হতে আবার শুরু হয় বচসা। অভিযোগ নাবালক রোহিত গায়েনকে তার বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে আসে প্রতিবেশী বাদল, ফরো, রশিদ ও ফতেমা গায়েনরা। তাকে গাছে বেঁধে চড়, থাপ্পড় লাথি এমন কী বুকে মুখে ও চোখে কিল ঘুঁষি মারে। গুরুতর জখম হয় রোহিত। চিৎকার শুরু করে ওই নাবালক।
নাবালকের কান্না শুনে তাকে উদ্ধার করতে দৌড়ে যান তাঁর মা রশিদা গায়েন। অভিযোগ সেই সময় নাবালককে ছেড়ে দিয়ে প্রতিবেশী চারজন রশিদাকে বেধড়ক মারধোর করে। এমনকি পরনের কাপড়ও ছিঁড়ে দেয়। অন্যান্য প্রতিবেশীরা ছুটে এসে গুরুতর জখম অবস্থায় মা ও ছেলে কে উদ্ধার করে। তাদের চিকিৎসার জন্য ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে গুরুতর জখম অবস্থায় মা ও ছেলে চিকিৎসাধীন রয়েছে। সাত সকালে এমন ঘটনায় পূর্ব শিবনগর গ্রামে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।