কিশোরীর হাতে সেফটিপিন ফুটিয়ে নাম লিখেছে দিদিরা, ভয়ানক অভিযোগ হাওড়ার হোমের বিরুদ্ধে
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফের নাবালিকার উপর অত্যাচারের অভিযোগ উঠল সরকারি হোমে। এ বার অভিযোগের তির লিলুয়া সরকারি হোম এর বিরুদ্ধে। খবর পেয়েই হোমে পৌঁছল বেলুড় থানার পুলিশ। পৌঁছেছেন শিশু সুরক্ষা কমিশনের সদস্যরাও।
অভিযোগ, সেফটিপিন ফুটিয়ে নাম লেখা হয়েছে
শেষ আপডেট: 6 January 2021 13:41
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফের নাবালিকার উপর অত্যাচারের অভিযোগ উঠল সরকারি হোমে। এ বার অভিযোগের তির লিলুয়া সরকারি হোম এর বিরুদ্ধে। খবর পেয়েই হোমে পৌঁছল বেলুড় থানার পুলিশ। পৌঁছেছেন শিশু সুরক্ষা কমিশনের সদস্যরাও।
অভিযোগ, সেফটিপিন ফুটিয়ে নাম লেখা হয়েছে নাবালিকার হাতে!
ওই নাবালিকার উপর অত্যাচারের খবর পেয়ে বুধবার লিলুয়া হোমে গিয়েছিলেন শিশু সুরক্ষা কমিশনের চেয়ারপার্সন অনন্যা চক্রবর্তী। তিনি জানান, গোটা বিষয়টির পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হবে। মেয়েটির হাতে যে নামগুলি লেখা রয়েছে ওই নামে হোমে কোনও আবাসিক নেই। হয়তো অন্য কোনও নাম লেখা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘‘পুরো ঘটনা খতিয়ে দেখা হবে। ওই নাবালিকার কাউন্সেলিং ও করা হবে।
চুঁচুড়া সিঙ্গিরবাগানের ১৬ বছরের নাবালিকা ১৫ ডিসেম্বর সন্ধেবেলা বাবার বকুনি খেয়ে রাগ করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। রাতে হাওড়া স্টেশনে তাকে ঘোরাফেরা করতে দেখে জিআরপির সন্দেহ হয়। তারা ওই নাবালিকাকে আটক করে চাইল্ড লাইনের হাতে তুলে দেয়।

চাইল্ড লাইনের মাধ্যমে লিলুয়ার সরকারি হোমে ঠাঁই হয় ওই নাবালিকার। পুলিশের মাধ্যমে খবর দেওয়া হয় ওই নাবালিকার বাড়িতে। খবর পেয়ে লিলুয়া হোমে ছুটে যান নাবালিকার পরিবারের লোকজন। সেখান থেকে জানানো হয় ১৪ দিন পরে মেয়েকে ছেড়ে দেওয়া হবে।
১৪ দিন পর ওই নাবালিকা বাড়ি ফিরে আসলে তার মা দেখেন মেয়ের হাতের ওপর বেশ কিছু কাটা দাগ। তাকে জিজ্ঞাসা করা হলে সে জানায় হোমের কয়েকজন সিনিয়র দিদি সেফটিপিন দিয়ে তার হাতের ওপর নাম খোদাই করে লিখে দিয়েছে।
ওই নাবালিকার মা জানিয়েছে তাঁর মেয়ে এখনও আতঙ্কগ্রস্ত। ঘোরের মধ্যে রয়েছে সে। তাঁরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।