
শেষ আপডেট: 28 September 2020 15:25
খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন ইসিএলের আধিকারিকরা। তাঁদের সামনেই ক্ষোভ উগরে দেন আবাসিকদের একাংশ। সিয়ারাম গোপ, যশোয়ারা খট্টররা বলতে থাকেন, ‘‘খনিতে কয়লা কেটে নেওয়ার পর সেই ফাঁকা জায়গা বালি দিয়ে ভরাট করা নিয়ম। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সেই কাজ হয় না বলে বারবার অভিযোগ উঠছে। মাঝেমধ্যেই ধস নামছে এলাকায়। অভিযোগ যে সত্যি, এটা তারই প্রমাণ। এত আতঙ্ক নিয়ে এই আবাসনে আর থাকতে চাই না। আমাদের জন্য অন্য আবাসনের ব্যবস্থা করা হোক।’’
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক জিতেন্দ্রপ্রসাদ তিওয়ারি। তিনি বলেন, ‘‘আবাসন যখন ইসিএলের এবং কর্মীরাও ইসিএলের তখন তাদেরই ব্যবস্থা নিতে হবে। আধিকারিকরা আছেন। তাঁরা দেখুন। আমরাও পাশে দাঁড়াব। ইসিএল কর্তৃপক্ষের কাছে আমাদের অনুরোধ ফাটল যদি আরও বাড়ে তাহলে বিপদে পড়ে যাবেন মানুষ। সেক্ষেত্রে তাঁদের পুনর্বাসন দেওয়া হোক।’’
ইসিএলের এক আধিকারিক জানান, এখানকার আবাসিকদের অন্য আবাসনে পুনর্বাসন দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে ভাবা হবে। কয়েক মাস আগেই কাজোরার জামবাদে ধস নামায় বেশ কয়েকটি পরিত্যক্ত আবাসন ভেঙে পড়ে। বাড়ি চাপা পড়েন সেখানকার আবাসিক এক মহিলা। টানা দশ দিন উদ্ধার কাজ চলার পর তাঁর দেহ উদ্ধার হয়।