
শেষ আপডেট: 26 March 2020 04:57
তাঁরা জানিয়েছেন, জলপাইগুড়ি জেলা জুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ছোট বড় দু’শোরও বেশি প্রতিমা শিল্পীর কারখানায় শতাধিক বাসন্তী প্রতিমা, অন্তত ৭০ টি বড় গণেশ প্রতিমা, এছাড়া কয়েক হাজার শিব, মঙ্গলচণ্ডী প্রতিমার অর্ডার বাতিল হয়েছে। তাঁদের আরও দাবি, একেকটি বাসন্তী বা গনেশ প্রতিমার দাম ১০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ২৫ হাজার টাকা। ছোট প্রতিমাগুলি ৫০০ টাকা থেকে এক হাজার টাকা, মাঝারি সাইজের প্রতিমা দেড় হাজার টাকা থেকে সাত হাজার টাকা। সবমিলিয়ে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়াতে পারে প্রায় দু’কোটি টাকা।
উদ্ভুত সমস্যার জেরে আর্থিক সাহায্য চেয়ে জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছে মৃৎশিল্পীদের সংগঠন। সংগঠনের জলপাইগুড়ি জেলা সম্পাদক রঞ্জিত বর্মন বলেন, ‘‘করোনাভাইরাস সংক্রমণের জেরে আমাদের সমস্ত প্রতিমার অর্ডার বাতিল হয়ে গেছে। হাহাকার পড়ে গেছে কারখানাগুলিতে। সরকারের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়ে স্মারকলিপি দিয়েছি আমরা।’’
জলপাইগুড়ি আদরপাড়ার সার্বজনীন বাসন্তী পূজো গত কয়েক বছর ধরে নজর কাড়ছে। বেশ কয়েক লক্ষ টাকা বাজেট থাকে তাদের। সেই পূজো কমিটিও করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সরকারি বিধিনিষেধ থাকায় পুজো বন্ধের কথা জানিয়ে দিয়েছেন সদর মহকুমাশাসককে। পূজো কমিটির দুই সম্পাদক লক্ষ্মী ভট্টাচার্য, রাজু দাস নামে বলেন, ‘‘এখন লকডাউন পরিস্থিতিতে নানা সরকারি বিধিনিষেধ থাকায় পুজো বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা। সামনের বছর দেখা যাবে।’’