দ্য ওয়াল ব্যুরো: ব্যারাকপুরের বিজেপি নেতা মণীশ শুক্ল খুনের তদন্ত করছে সিআইডি। সেই তদন্তে অসন্তোষ প্রকাশ করে হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন আইনজীবী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল। মামলার সেই মামলার শুনানিতে মঙ্গলবার রাজ্য সরকারের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট চাইল কলকাতা হাইকোর্ট।
বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি ছিল এদিন। আদালত বলেছে, কী ভাবে তদন্ত এগোচ্ছে এবং এখনও পর্যন্ত কী তদন্ত হয়েছে তা বিস্তারিত রিপোর্ট আকারে.জমা দিতে হবে। আগামী শুক্রবার ফের এই মামলার শুনানি রয়েছে। তার আগে এই রিপোর্ট জমা দিতে হবে রাজ্য সরকারকে।
৪ অক্টোবর, রবিবার রাতে আটটা নাগাদ টিটাগড় থানার ঢিল ছোড়া দূরত্বে বিজেপি পার্টি অফিসের সামনে মণীশকে গুলি করে দুষ্কৃতীরা। রাতেই তাঁর মৃত্যু হয়। তারপর থেকেই উত্তাল হয়ে ওঠে ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চল।
ইতিমধ্যেই মণীশ খুনে সিবিআই তদন্তের দাবি তুলেছে বিজেপি। দু'দিন আগে রানে রাজভবনে গিয়ে সেই দাবি জানান মুকুল রায়, জয়প্রকাশ মজুমদার, সব্যসাচী দত্তরা। রাজভবন থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুকুলবাবু বলেন, সিবিআই ছাড়া মণীশ শুক্ল খুনের ঘটনায় প্রকৃত তদন্ত সম্ভব নয়। কারণ সিআইডি তদন্তের নামে প্রহসন চালাচ্ছে।
মণীশ শুক্লর বাবা টিটাগড় থানায় যে এফআইআর করেছেন তাতে মোট সাত জনের নাম রয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে ব্যারাকপুর ও টিটাগড় পুরসভার প্রাক্তন চেয়াম্যান উত্তম দাস এবং প্রশান্ত চৌধুরীর নাম। বিজেপির বক্তব্য, নিহতের বাবা যাদের নামে এফআইআর করেছেন তাদেরকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদও করছেন না তদন্তকারীরা। প্রসঙ্গত, ওই ঘটনার পর থেকেই এই দুই প্রাক্তন চেয়ারম্যানকে এলাকায় দেখা যাচ্ছে না। ফোনও বন্ধ রয়েছে।
মণীশ খুনে এখনও পর্যন্ত তিন জনকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি। তাদের মধ্যে একজন ব্যবসায়ী ও দুজন শ্যুটার।