শেষ আপডেট: 10 March 2020 09:40
জলপাইগুড়ির রাজবাড়ি গবেষক উমেশ শর্মা জানান, আগে দোলের দিন সওয়ারি হোত। রাজবাড়ি থেকে হাতির পিঠে চাপিয়ে সোনার বৈকুন্ঠনাথ, মদনমোহন সহ অন্যান্য দেবদেবীদের নিয়ে যাওয়া হোত রাজঘাটে। সেখানে তাঁদের স্নান করিয়ে পুজো হোত। এরপরেই রাজ পরিবারের সবাই মেতে উঠতেন দোলখেলায়। তিনি বলেন, “বসন্তের রঙে রঙিন হয়ে ফের সবাই মিলে হাতির পিঠে চাপিয়ে বিগ্রহ নিয়ে আসতেন নাটমন্দিরে। সেখানে দোলনায় রাখা হোত বিগ্রহ। এরপর আটদিন ধরে চলত কীর্তন। আটদিন পর বৈকুণ্ঠনাথ ফের হাতির পিঠে সওয়ার হয়ে রাজবাড়ির ঠাকুর ঘরে ফিরে যেতেন।”
https://www.youtube.com/watch?v=3Qv4VlBKZ70
রাজ পরিবারের পুরোহিত শিবু ঘোষাল জানান, প্রথা মেনে এখনও দোলের এই বিশেষ দিনে বৈকুন্ঠনাথকে মন্দির থেকে নামিয়ে এনে রাখা হয় নাটমন্দিরে। দোলনায় বসানো হয় তাঁকে। সেখানেই চলে আরাধনা। তিনি বলেন, “আগের জাঁকজমক আর নেই। তাই হাতির পিঠে করে বৈকুণ্ঠনাথকে এখন আর নিয়ে যাওয়া হয় না রাজঘাটে। তবে প্রথা মেনে এই বিশেষ দিনে তাঁকে নিয়ে আসা হয় রাজবাড়ির নাটমন্দিরে। আটদিন ধরে কীর্তন ও পুজোপাঠের পর বৈকুণ্ঠনাথকে নিয়ে যাওয়া হয় মূল মন্দিরে।”
ঐতিহ্যের টানে এই আটদিন বৈকুণ্ঠপুর রাজবাড়িতে আনাগোনা থাকে শহরের বহু মানুষের।