দ্য ওয়াল ব্যুরো, শিলিগুড়ি: করোনা রুখতে দীর্ঘ লকডাউনে মুখ থুবড়ে পড়েছিল পাহাড় ও ডুয়ার্সের পর্যটন। করোনা আতঙ্কে শিকেয় উঠেছিল বাইরে বেড়াতে যাওয়া। তাই ভরা পর্যটন মরসুমেও তীব্র আর্থিক অনিশ্চয়তায় দিন কেটেছে পর্যটনের সঙ্গে জড়িত মানুষদের। আনলক পর্ব শুরু হওয়ার পর থেকেই ধীরে ধীরে আবার পাহাড় ও জঙ্গলমুখো হচ্ছেন পর্যটকরা। স্বাভাবিক ভাবেই ছন্দে ফিরছে উত্তরবঙ্গের এই বিশাল এলাকার পর্যটন শিল্প।
এতদিনের মুখ থুবড়ে পড়া পর্যটন শিল্পে গতি আনতে কার্নিভাল করার ভাবনাচিন্তা শুরু হয়েছিল আগেই। এ বার রাজ্য পর্যটন দফতরের উদ্যোগে শুরু হচ্ছে সেই কার্নিভাল। পাহাড় ও জঙ্গল ঘুরতে আসা পর্যটকদের বাড়তি আনন্দের সন্ধান দিতে ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে ‘বেঙ্গল হিমালয়ান কার্নিভাল’। রাজ্য পর্যটন দফতরের এই কার্নিভালের যৌথ উদ্যোক্তা জিটিএ, রাজ্য বন দফতর এবং হিমালয়ান হসপিটালিটি অ্যান্ড ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্ক।
পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেব জানান, ৫ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ১০টায় দার্জিলিংয়ের চৌরাস্তায় এই কার্নিভাল শুরু হবে। নানাধরণের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে সেখানে। দার্জিলিং, কালিম্পং ও গজলডোবাতেও একাধিক অনুষ্ঠান হওয়ার কথা। নানাধরণের স্টল থাকবে এখানে। এখানে মিলবে নানাধরণের হস্তশিল্প সামগ্রী ও খাবারদাবার। পাশাপাশি স্টোরি টেলিং, পাখি দেখা, হেরিটেজ ওয়াক এ সবেরও বন্দোবস্ত থাকবে। যাতে বেড়াতে এসে সমস্ত রকম আনন্দ নিতে পারেন পর্যটকরা। এতে পর্যটকের সংখ্যা বাড়বে বলে মনে করছে পর্যটন দফতর।
মন্ত্রী জানান, ৬ ফেব্রুয়ারি কালিম্পংয়ের ডেলোর মাঠে ও ৭ ফেব্রুয়ারি গজলডোবায় কার্নিভাল হবে। তবে করোনা পরিস্থিতিতে সমস্ত সরকারি বিধি মেনেই অনুষ্ঠান হওয়ার কথা। মাস্ক ও স্যানিটাইজার ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।