
শেষ আপডেট: 1 October 2020 04:03
২০১৮-১৯ আর্থিক বছরে আইএমডিপি প্রকল্পের অধীনে ২১ লক্ষ ৭৪ হাজার টাকায় নন্দীগ্রাম প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দু’টি অতিরিক্ত শ্রেণিকক্ষ নির্মাণ করা হয়। পুরনো স্কুল ভবনটির অবস্থা খুব একটা ভালো না থাকায় পঞ্চায়েত সমিতির সিদ্ধান্তে নতুন ভবন তৈরির সিদ্ধান্ত হয়েছিল। ২০২০ সালের জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে এলাকার বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় ভবনটির উদ্বোধন করেন। কিন্তু উদ্বোধনের পর ভবনটি ব্যবহার করা হয়নি। এরপর লকডাউনের জেরে বন্ধ হয়ে যায় স্কুল।
গত জুন-জুলাই মাস থেকে ভবনের চারিদিকে ফাটল দেখা দিতে শুরু করে। এখন এমন অবস্থা ভবনটি দেখে মনে হবে না যে এটি নতুন করে নির্মাণ করা হয়েছে। কাটমানি নিয়ে ভবন তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাসিন্দারা। তাঁরা বলেন, ‘‘নির্মাণ সামগ্রী কম দেওয়া হয়েছে। তাই এমন হাল। ঘটনার তদন্ত চাইছি আমরা।’’ দোষী ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে তাঁকে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়ারও দাবি তুলেছেন গ্রামবাসীরা। এলাকার বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় ও কাটোয়া ২ নম্বর ব্লকের বিডিও শমীক পাণিগ্রাহীর কাছেও অভিযোগ জানিয়েছেন গ্রামের বাসিন্দারা।
কেন নবনির্মিত ভবনের এই অবস্থা হল সে বিষয়ে তদন্ত করে দোষী ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন এলাকার বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। কাটোয়া ২ নম্বর ব্লকের বিডিও শমীক পাণিগ্রাহীও বলেন, ‘‘নবনির্মিত ভবনে ফাটল ধরার অভিযোগ পেয়েছি। একজন ইঞ্জিনিয়ারকে ওই স্কুলে পাঠিয়ে পুরো বিষয়টি তদন্ত করা হবে। নির্মাণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের যদি কোনও গাফিলতি পাওয়া যায় তাহলে তাঁকে অবশ্যই কালো তালিকাভুক্ত করা হবে।’’