
শেষ আপডেট: 7 December 2020 08:20
বিজেপির উত্তরকন্যা অভিযান ঘিরে এদিন সকাল থেকে টানটান উত্তেজনা ছিল শিলিগুড়ি ও লাগোয়া এলাকায়। একদিকে পুলিশ এই অভিযান রুখতে ছিল তৎপর। অন্যদিকে অভিযান সফল করতে বিজেপির নেতা কর্মীরাও মরিয়া। বিজেপির নেতা কর্মীদের আটকাতে উত্তরকন্যামুখী সমস্ত রাস্তায় বাঁশের ব্যারিকেড দিয়ে দেয় পুলিশ। আটকে দেওয়া হয় বিজেপি কর্মী-সমর্থকবোঝাই বাস ও গাড়িগুলি। মুকুল রায়, দিলীপ ঘোষের মতো নেতাদেরও পুলিশ বাধা দেয় বলে অভিযোগ।
বেলা গড়াতেই অসহিষ্ণু হয়ে ওঠেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। যুবমোর্চার কর্মী সমর্থকরা ব্যারিকেড ভেঙে ফেলে উত্তরকন্যার দিকে এগোতে শুরু করেন। প্রথম দু’টি ব্যারিকেড ভাঙলেও তিনবাত্তি মোড়ে শেষ ব্যারিকেড আর ভাঙতে পারেননি। তার আগেই অবশ্য গোটা এলাকা রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট ছুড়তে শুরু করে বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। পাল্টা লাঠি উঁচিয়ে তেড়ে যায় পুলিশ। রাস্তার ধারে সমস্ত ব্যারিকেড উল্টে তাতে আগুন ধরিয়ে দেন বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে টিয়ার গ্যাস ছুড়তে শুরু করে পুলিশ।
বিজেপির উত্তরকন্যা অভিযান ঘিরে সকাল থেকেই থমথমে ছিল শহর। বিভিপ্ত অশান্তি শুরু হতেই ঝাঁপ পড়তে শুরু করে দোকানের। শুনশান হয়ে যায় গোটা এলাকা। তারই মধ্যে বিজেপির কর্মী-সমর্কথদের সঙ্গে পুলিশের খণ্ডযুদ্ধ চলে একাধিক এলাকায়। দিলীপ ঘোষের দাবি পুলিশের লাঠির ঘায়ে তাঁদের এক কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন প্রায় ১২ জন। আহত হয়েছেন কোচবিহারের মহিলা মোর্চার সভানেত্রীও।