দ্য ওয়াল ব্যুরো, উত্তর দিনাজপুর : নবান্নের দেওয়া সময়সীমা মেনে সাতদিনের মধ্যেই অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে কালিয়াগঞ্জ গণধর্ষণ মামলার চার্জশিট দাখিল করলেন কালিয়াগঞ্জ থানার তদন্তকারী পুলিশ আধিকারিকরা। জেলার পুলিশ সুপার সুমিত কুমার বলেন, “দৃষ্টান্ত স্থাপন করতেই এই পদক্ষেপ। দ্রুত এই মামলার ট্রায়াল করার জন্যও সচেষ্ট হবে পুলিশ।”
"হরিহরপুরে হোটেল কর্মীকে গণধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত নকুল মহন্ত, সুজন বর্মন ও শিবু বর্মনের বিরুদ্ধে সাতদিনের মধ্যে পুলিশ চার্জশিট দাখিল করায় সমাজের মানুষের কাছে দ্রুত বিচারের বার্তা পৌঁছলো।" দাবি করলেন রায়গঞ্জ জেলা আদালতের সরকারি আইনজীবী নীলাদ্রি সরকার।
ধনকৈল মোড়ে একটি হোটেলে দিনমজুরির কাজ করতেন কালিয়াগঞ্জের হরিহরপুরের বাসিন্দা বছর ২৭ এর ওই তরুণী। প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবার রাতেও হোটেলের কাজ সেরে বাড়িতে ফিরছিলেন তিনি। অভিযোগ, সুজন বর্মন ও শিবু বর্মন নামে দুই দুষ্কৃতী বর্ষবরণের রাতে ওই তাঁকে রাস্তা থেকে তুলে ধনকৈল মিনি ব্যাঙ্কের পাশে নির্জন এলাকায় নিয়ে গিয়ে তাঁর উপর পাশবিক অত্যাচার চালায়। ওই দুষ্কৃতীরা কুকর্ম করে চলে যাওয়ার পর নির্যাতিতা তরুণী সেখান থেকে কোনও রকমে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হলে পথে নকুল মহন্ত নামে এক গাড়ির চালক তাকে জোর করে গাড়িতে তুলে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ।
বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের লোকজন ওই তরুণীর খোঁজে বের হন। ভোর তিনটে নাগাদ ধনকৈল মোড় থেকে তাকে উদ্ধার করেন তাঁরা। অভিযোগ পেয়েই তৎপরতার সঙ্গে শিবু বর্মন ও নকুল মহন্তকে গ্রেফতার করে কালিয়াগঞ্জ থানার পুলিশ। তবে পালিয়ে যায় আর এক অভিযুক্ত সুজন। ঘটনার ছ’দিন পর পাকড়াও করা হয় তাকেও।