দ্য ওয়াল ব্যুরো, মালদহ: গভীর রাতে শ্যুট আউট। বিজেপির মণ্ডল সভাপতিকে গুলি করে খুনের চেষ্টার ঘটনায় চাঞ্চল্য মালদহের পুকুরিয়া থানার কুমারগঞ্জ এলাকায়। অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে। তৃণমূল গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী ও ছেলে প্রকাশ্যে গুলি চালায় বলে অভিযোগ। তৃণমূল অবশ্য এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
রবিবার গভীর রাতে রাজনৈতিক কর্মসূচি সেরে বাড়ি ফেরার পথে বিজেপির মণ্ডল সভাপতি সাদেক আলিকে গুলি করে খুনের চেষ্টা হয়। চলন্ত গাড়ি লক্ষ্য করে বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। কয়েকটি গুলি গাড়িতে লাগে। তবে অল্পের জন্য রক্ষা পান সাদেক আলি। তার বাঁ হাতে গুলি লাগে। স্থানীয়রা গুলির শব্দ শুনে ছুটে এলে এলাকা থেকে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। আহত অবস্থায় সাদেক আলিকে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুকুরিয়া থানার শ্রীপুর (১) ও শ্রীপুর (দুই) গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় বিজেপির উত্থানের কারিগর হলেন সাদেক আলি। অভিযোগ, বিজেপি করায় সাদেক আলিকে এর আগেও বেশ কয়েকবার খুনের চেষ্টা করে দুষ্কৃতীরা। সাদেক আলির অভিযোগ, সামসি থেকে রাজনৈতিক কর্মসূচি সেরে বাড়ি ফেরার পথে শ্রীপুর(১) গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূলের প্রধানের স্বামী মহম্মদ আলি ও তাঁর ছেলে আসিফ আলি সহ বেশ কয়েকজন রাস্তায় তাঁর গাড়ি ঘিরে ধরে। মুহূর্তের মধ্যেই বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি চালায় তারা। একটি গুলি বিজেপি নেতার বাঁ হাতে লাগে। বেশ কয়েকটি গুলি লাগে গাড়িতেও।
জেলা বিজেপির কার্যকারী সম্পাদক অজয় গাঙ্গুলি জানান, পুকুরিয়া থানা এলাকায় বিজেপি ভালো ফল করবে। আর ঠিক এই কারণেই তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা এই ধরনের ঘটনা ঘটাচ্ছে । অবিলম্বে দুষ্কৃতীদের গ্রেফতার করা না হলে আন্দোলনের পথে নামবেন বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
যদিও তৃণমূলের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন মালদহ জেলা তৃণমূলের কো-অর্ডিনেটর দুলাল সরকার। তিনি বলেন, ‘‘এ ধরনের কাজ তৃণমূলের পক্ষ থেকে করা হয় না । পুলিশ ঘটনার তদন্ত করে দেখছে । সত্য সামনে আসবে।’’