দ্য ওয়াল ব্যুরো: উত্তরকন্যা অভিযান ঘিরে সোমবার সকাল থেকেই তেতে উঠেছে শিলিগুড়ি ও জলপাইগুড়ির বিভিন্ন এলাকা। বিজেপি কর্মী সমর্থকদের রুখতে সকাল থেকেই তৎপর পুলিশ। পাশাপাশি অভিযানে অংশ নিতে মরিয়া বিজেপির কর্মী সমর্থকরাও। ফুলবাড়ির কাছে রাস্তায় নেমে বাঁশের ব্যারিকেড ভেঙে ফেলতে তৎপরতা শুরু হয়েছে।
বাগডোগরা গোঁসাইপুরে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের বাস আটকে দেয় পুলিশ। দক্ষিণ দিনাজপুর থেকে ওই বাসে করে অভিযোনে অংশ নিতে এসেছিলেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। বাস আটকে দেওয়ায় রাস্তায় নেমে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তাঁরা। পরে পুলিশ গিয়ে তাদের তুলে দেয়।
https://twitter.com/DilipGhoshBJP/status/1335828375189868546
জলপাইগুড়ির বিজেপির জেলা সভাপতি বাপি গোস্বামীর অভিযোগ, উত্তরবঙ্গে বিভিন্ন জেলা থেকে তাঁদের কর্মী সমর্থকদের নিয়ে আসা বাস শহরে ঢুকতে দিচ্ছে না পুলিশ। যত্রতত্র গাড়ি দাঁড় করিয়ে নামিয়ে দেওয়া হচ্ছে তাদের কর্মী সমর্থকদের। বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে গাড়ির মুখ ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তবে তিনি বলেন, পুলিশ আটকানোর চেষ্টা করলে আমাদের কোনওভাবেই রোখা যাবে না। কর্মসূচি সফল করতে যতদূর যেতে হয় ততদূরই যাব।’’
শিলিগুড়িতে বাধা দেওয়া হয় বিজেপি নেতা মুকুল রায় ও দিলীপ ঘোষকে। পুলিশ তাঁদের গাড়ি আটকে দেয় বলে অভিযোগ। কিছুক্ষণ আগে উত্তরকন্যার অদূরে এনএইচপিসি বাংলোতে ঢোকার মুখে আটকে দেওয়া হয় দিলীপ ঘোষকে। তাঁর সঙ্গে তর্কাতর্কি বেধে যায় পুলিশের। পরে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। ঘটনা ঘিরে উত্তেজনা দেখা দেয়। বিক্ষিপ্ত এই ধরণের ঘটনার খবর এলেও বড় কোনও অশান্তির ঘটনা এখনও ঘটেনি।
এ দিন নাগরাকাটার ভানুমোড়ে সাংসদ জন বার্লার গাড়িও আটকে দেয় পুলিশ। তা নিয়ে তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয় ওই এলাকায়। পুলিশের কড়া মোকাবিলার সামনে পরে ঘন ঘন নিজেদের মিছিলের রুট বদল করছেন বিজেপি নেতারা।